গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় বাস ও থ্রি-হুইলারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার হরিদাসপুর এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মো. রুবেল শেখ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি– তদন্ত) গোলাম ফারুক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের মধ্যে একজন নারী, দুই জন শিশু ও ৮ জন পুরুষ। এর মধ্যে ১০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন– গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিমতলা গ্রামের আক্কাস মোল্লার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৫), একই উপজেলার শুকতাইলের বটতলা গ্রামের ফিরোজ মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা (২২), চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের সলেমান সিকদারের ছেলে জগলুল সিকদার (৩৫), সুলতানশাহী গ্রামের আল-আমিনের ছেলে নয়ন শেখ (১১) ও মেয়ে মরিয়াম (৮), তেবাড়িয়া গ্রামের কাশেম শেখ (৩৭) ও আবু বক্কার শেখ (৩৩), দুমদিয়া গ্রামের ঝিলু গাজীর ছেলে মোর্শেদ গাজী (৫৫), মাদারীপুর জেলার টেকেহাটের সিরাজ ব্যাপারীর স্ত্রী রেণু বেগম (৪৫), টেকেরহাটের সিরাজ ব্যাপারীর মেয়ে মেঘলা (৯)। নিহত আরও একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার পর পরই হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মো. রুবেল শেখ ও সদর থানার ওসি গোলাম ফারুক বলেন, আজ বিকালে হরিদাসপুর এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও অন্য একটি থ্রি-হুইলারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও থ্রি–হুইলার ধুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়।
তারা আরও জানান, এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হন। এ ছাড়া, ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমার সরকার ও পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান খান ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান তারা।







