‘আমার সারাজীবন কেটেছে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের নিয়ে। আমার বাবাও ছিলেন রাজনৈতিক নেতা। ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি ঈদের সময় বাড়িতে জনগণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, শুভেচ্ছা বিনিময়, খাতির-যত্ন ও মতবিনিময় করতে। তখন থেকেই এই পরিবেশের সঙ্গে বেড়ে উঠেছি। এখন আমার সব কর্মকাণ্ডে জনগণ ও নেতাকর্মীরা। আর তাই প্রতিটি ঈদই আমি পালন করি তাদের সঙ্গে। ঈদের দিন পুরো সময় তাদের সঙ্গে কাটিয়ে পরের দিন আমি ঢাকায় ফিরবো।’ বাংলা ট্রিবিউনকে এভাবেই নিজের ঈদের পরিকল্পনার কথা জানালেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঈদের দিন সকালে তিনি সেতাবগঞ্জ পৌরসভায় ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। এরপর চলে যাবেন গ্রামের বাড়ি বোঁচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলায়। সারাদিনের সময়টুকু তিনি বেঁধে রেখেছেন জনগণ ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের জন্য। নেতাকর্মী ও সাধারণ লোকজনের সঙ্গে বাড়িতেই কুশল বিনিময়, ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ঈদের পরের দিন ঢাকায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে তার।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, ঈদের সময়টুকুর মধ্যেই তিনি মানুষজনের মাঝে জাকাতের কাপড় ও ফেতরা প্রদান করবেন। । তিনি বলেন, ‘আমার বাবা রৌফ চৌধুরীর দাদা খালাস উদ্দিন চৌধুরী স্থানীয়দের জন্য ৫০০ বিঘা জমি ও স্থাপনা দান করে গেছেন। এটি খালাসউদ্দিন চৌধুরী ওয়াকফ এস্টেট নামে চলছে। এখানে যা আয় হয় তা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দিরে সহায়তা করা হয় এবং স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সহযোগিতার কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ঈদেই এখানকার আয়ের অর্থ গরিব ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিলি করা হয় যাতে করে তাদের আনন্দ বাড়ে ও ঈদ উৎসবমুখর হয়। এছাড়াও এই জমির মধ্যেই গড়ে উঠেছে ঈদগাহ ময়দান, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ওইসব প্রতিষ্ঠানের নামে জমি একেবারেই দান করে দেয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন-
আমাদের ব্যক্তিগত ঈদ বলে কিছু নেই: নওফেল







