কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসে শিশুসহ দুইজন নিহতের ঘটনার পর রাঙামাটির ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (৮ জুলাই) বিকালে শহরের শিমুলতলী, শান্তিনগর ও বাংলাদেশ বেতার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে অংশ নেয় জেলা প্রশাসকের টিম, পুলিশ, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
শহরের শিমুলতলীর স্থানীয় বাসিন্দা মরিয়ম আক্তার বলেন, ‘আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশ্রয়কেন্দ্রে গাদাগাদি হয়, এজন্য যেতে চাইনি। ডিসি স্যার এখন যেতে বাধ্য করছে, না গিয়েও উপায় নাই।’
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ না, তারপরও আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলছে। যেদিকে বেশি ভাঙা, তাদের তো বের করছে না। শুধু আমাদের বের করে দিচ্ছে।’
বাংলাদেশ বেতার এলাকায় বাসিন্দা মো. কাদের বলেন, ‘আমাদের তো ঘর থেকে বের হতে বলেছে, কিন্তু ঘরের মালপত্র নিয়ে কোথায় যাব। ঘরে না থাকলে জিনিসপত্র চুরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এভাবে ঘর ফেলে যাওয়া নিরাপদ না।’
এদিকে শনিবার থেকে টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থেকেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ। তিবি বলেন ‘রবিবার থেকে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানিয়ে আসছি। কিন্তু অনেক মানুষ ঝুঁকি জেনেও ঘরবাড়ি ছাড়ছেন না। তাই আমরা হার্ডলাইনে আছি। আশ্রয়কেন্দ্রে যারা থাকবেন, তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা এ জেলায় আর কোনও প্রাণহানি দেখতে চাই না।’
আরও খবর: কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে শিশুসহ নিহত ২








