নির্ধারিত সময়ের আগেই মাগুরার বোরো সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে, দেশের অনেক জেলাতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় সরকার এ অভিযানের সময় বৃদ্ধি করেছে। জেলা খাদ্য অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, ২৫ এপ্রিল শুরু হওয়া বোরো সংগ্রহ অভিযানের ৩১ আগস্ট ছিলো শেষ দিন। তার তিন দিন আগেই মাগুরায় লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন অর্জিত হয়।
সদর উপজেলায় এক হাজার ৬৭৮ মেট্রিক টন, শালিখায় এক হাজার ১২৬ মেট্রিক টন, শ্রীপুরে ১৫৪ মেট্রিক টন এবং মোহাম্মদপুরে ৩০২ মেট্রিক টন বোরো সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলাতেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
সারাদেশে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় এ সংগ্রহ অভিযানের সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে।
মাগুরা সদর উপজেলার রাঘবদাইড় ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমরা এখানে ২৬ টাকা কেজি দরে ধান বিক্রি করেছি।’
শহরের কাটাখালি এলাকার কৃষক আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমাদের উৎপাদিত সব ধান আমরা বিক্রি করতে পারিনি। এক্ষেত্রে সরকারের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা আমাদের খোলা বাজারে ধান বিক্রি করতে বাধ্য করছে। সরকারের উচিত এই লক্ষ্যমাত্রা আরও বৃদ্ধি করা।’
মাগুরার কৃষি ও প্রকৃতি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা ‘পল্লী প্রকৃতি’র নির্বাহী পরিচালক শফিকুর রহমান পিন্টু বলেন, ‘বোরো সংগ্রহে মাগুরা লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে এটি আশার কথা। তবে কৃষক সরাসরি এ অভিযানে ধান বিক্রি করতে পেরেছেন কিনা সরকারকে তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমরা পত্রপত্রিকায় দেখতে পাই, অনেক ক্ষেত্রেই মধ্যস্বত্বভোগীরা প্রভাব বিস্তার করে।’
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে কৃষকের অধিকারকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।’








