নাটোরের সিংড়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় ১৫০ হেক্টর জমির পাকাধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। তবে স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। বুধবার বিকালে এই শিলাবৃষ্টি হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার সাজ্জাদ হোসেন জানান, বুধবার দুপুরের পর উপজেলার ছাতারদিঘী, রামানন্দ-খাজুরা ও শুকাশ ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি হয়। ২-৩ মিনিটের মতো স্থায়ী হয় এই শিলাবৃষ্টি। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকার ১৫শ হেক্টর জমির অন্তত ১০ ভাগের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি। শিলাবৃষ্টিতে মূলত ধানের ক্ষতি হলেও বাড়িতে অনেকের সবজির ক্ষতির তথ্যও তিনি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
রামানন্দ-খাজুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে বহু কৃষকের ক্ষতি হয়েছে। অনেক দিনমজুরের কাঁচা ঘড় বাড়ি ভেঙে গেছে।’
ছাতারদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন আকন্দ জানান, তার ইউনিয়নে রামনগর, ছাতারদিঘী, খন্দকার বড়বাড়ি এলাকায় কৃষকের ধান নষ্ট হয়ে গেছে। শিলাবৃষ্টির সঙ্গে বয়ে যাওয়া দমকা বাতাসে ঝরে পড়েছে সজনে ও গুটি আম। কোনও কোনও বাগানে আম গাছের ডালপালাও ভেঙে পড়েছে। কাঁচা ঘরের অনেক দেয়াল ভেঙে গেছে, উড়ে গেছে ছাউনি। অনেক বাড়ির টিন ছিদ্র হয়ে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সুব্রত কুমার জানান, বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।







