বিভাগীয় নগরী রংপুরে লকডাউন শিথিল করে মার্কেট ও শপিং মলগুলো খুললেও চরম বিশৃঙ্খলভাবে বেচাকেনা করতে দেখা গেছে। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ভিড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি করে কাপড় কিনছেন ক্রেতারা। শুধুমাত্র জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট ছাড়া নগরীর শতাধিক মার্কেটের প্রবেশ পথে ও দোকানে জীবাণুমুক্ত করার ন্যূনতম কোনও ব্যবস্থা নেই।
ক্রেতাদের মধ্যেও সামান্যতম সচেতনতা লক্ষ করা যাচ্ছে না। কয়েকজন ক্রেতা বললেন, সামনে ঈদ, কেনাকাটা তো করতে হবে। দোকানদাররাও দোষ চাপাচ্ছেন ক্রেতাদের ওপর। তারা বলছেন, একজন কিনতে আসলে সঙ্গে আসে আরও পাঁচ জন তাই তারা সামাজিক দূরত্ব মানতে পারছেন না।
সরজমিন রংপুর নগরীর সবচেয়ে বড় শপিং মল জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। একটি গেট দিয়ে মার্কেটের ভেতরে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে একটি জীবাণুমুক্ত করার কর্নার স্থাপন করা হলেও ডেটল পানি আর ছাড়া আর কোনও ব্যবস্থা নেই। প্রতিটি দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার নির্দেশনা থাকলেও কোনও দোকানে তা দেখা যায়নি। এ ব্যাপারে কয়েকজন ব্যবসায়ী বললেন, কাল থেকে ব্যবস্থা করা হবে। ওই মার্কেটের দোতলা ও তৃতীয় তলায় একই অবস্থা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বালাই নেই।
অপরদিকে জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্স ও জেলা পরিষদ কমিউনিটি সুপার মার্কেটের একই অবস্থা, দোকানে ঠাসাঠাসি করে বসে বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয় করছেন ক্রেতারা। তবে পুরুষ ক্রেতার চেয়ে নারী ক্রেতাই বেশি। অন্যদিকে নগরীর শতাধিক মার্কেটে একই অবস্থা। সামাজিক দূরত্ব বলে কিছুই মানা হচ্ছে না। মার্কেটে প্রবেশ পথে জীবাণুমুক্ত করা, হাত ধোয়া কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কোনোই ব্যবস্থা নেই।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যেও ঢিলেঢালা মনোভাব দেখা গেছে। এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর দোকান মালিক সমিতির সহসভাপতি সুলতান আহমেদ বুলবুল জানান, তারা সরকারি নির্দেশনা মেনেই ব্যবসা করছেন।








