ঢাকার সাভারের গার্মেন্টকর্মীকে নাটোরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
আসামিরা হলো, নলডাঙ্গা উপজেলার পাটুল এলাকার বাচ্চুর ছেলে ও হরিশপুর এলাকার ভাড়াটিয়া রাশেদুল ইসলাম রাশেদ মিয়া (২২), বড় হরিশপুর এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম শেখ (২৩), একই এলাকার হানিফ মণ্ডলের ছেলে ফারুক মণ্ডল (২৫) ও আব্দুল কাদের পাটোয়ারীর ছেলে রুবেল পাটোয়ারী (২৫)। তাদের মধ্যে সাদ্দাম, রুবেল ও ফারুককে শনিবার এবং প্রধান আসামি রাশেদকে রবিবার গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।
প্রেসব্র্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা ও আইও আবু সিদ্দিক জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওই মেয়েটি ঢাকার সাভারে চারাবাগ এলাকায় গার্মেন্টসে কাজ করে। বেশ কিছু দিন থেকেই সে ‘আরপি পরিবহন’-এর বাসে গাড়িতে বাড়িতে যাতায়াত করতো। একপর্যায়ে তার সঙ্গে ওই গাড়ির হেলপার রাশেদুলের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাশেদের আহ্বানে সে ১৪ আগস্ট সন্ধ্যায় নাটোর আসে। এরপর তাকে রাশেদ শহরের হরিশপুর এলাকার রাজিবপুরে পরিত্যক্ত একটি গরুর খামারে নিয়ে যায়। এ সময় তার অপর সহযোগী ট্রাক দালাল ফারুক ও ফারুকের দুই সহযোগী সাদ্দাম ও রুবেল সেখানে আসে। পরে তারা পালাক্রমে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।
এরপর মেয়েটিকে মোটরসাইকেলে হরিশপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দেওয়ার সময় তার চিৎকারে ঘটনা জানাজানি হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মেয়েটি থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে।








