কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। আর এতে নাকাল ক্রেতা সাধারণ। গোপালগঞ্জে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। তাই অনেকেই কাঁচা মরিচের পরিবর্তে শুকনা মরিচ ব্যবহার করছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি গ্রামের ওদুদ মৃধা বলেন, কাঁচা মরিচ এখন ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এখন ১০০ গ্রাম মরিচ কিনতে ২৫ টাকা লাগে। তাই মরিচ কিনতে গেলে আর তরকারি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। বেশ কিছুদিন ধরে এমন অবস্থা চলছে।
শহরের পাঁচুড়িয়া এলাকার আকবার হোসেন বলেন, কাঁচা মরিচের যে দাম এখন তো আর মরিচ ছাড়া তরকারি খেতে হচ্ছে। বাজারে যে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে তার মানও ভালো না। দামও আকাশ ছোঁয়া। আমাদের পক্ষে এত দামে মরিচ কিনে খাওয়া সম্ভব না।
গোপালগঞ্জ বড় বাজারে তরকারি ব্যবসায়ী পংকজ রায় ও নির্মল বিশ্বাস বলেন, গোপালগঞ্জে উত্তরবঙ্গ থেকে কাঁচা মরিচ আসে। বন্যার কারণে মরিচের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কাঁচা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। আর যা পাওয়া যায় তার মানও ভাল না। বর্তমানে এক কেজি কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা বিক্রি করলেও লাভ হয় না। অন্য তরকারি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েই মরিচ রাখতে হয়। তারপরও মরিচ নিয়ে ক্রেতার সাথে বিভিন্ন সময় বাগ-বিতণ্ডা হয়।
আড়ত মালিক শিবু বিশ্বাস ও দীপক বিশ্বাস বলেন, কাঁচা মরিচের আড়তে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। বন্যায় মরিচ ক্ষেতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে যে মরিচ পাওয়া যাচ্ছে দাম অনেক বেশি। এক কথায় কাঁচা মরিচে লাভ তো দূরের কথা খরচই উঠছে না। আড়ত চালাতেই বাধ্য হয়ে মরিচ আনতে হচ্ছে।








