সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার দুই বোনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন, আসামির স্বীকারোক্তি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
২৭ আগস্ট ২০২০, ২১:৪৫আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২০, ০১:৪০

ধর্ষণ চুয়াডাঙ্গা  
চুয়াডাঙ্গার বোয়ালিয়া গ্রামে বাবুর্চির কাজ করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়া দু’বোনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমরা আদালতের বিচারকের খাস কামরায় বুধবার ২২ ধারায় ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। একই দিনে গ্রেফতার আসামি মিলন ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হচ্ছে চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের রইচউদ্দিন পুটে বিশ্বাসের ছেলে সুমন (২৬), আলতাব মণ্ডলের ছেলে মিলন (৩৫), মৃত ইছারউদ্দিনের ছেলে সাগর (৪০), নেহালপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫) ও অজ্ঞাত একজন।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের দর্শনা থানাধীন বোয়ালিয়া গ্রামে বাড়িতে অনুষ্ঠানে রান্নার কথা বলে গত ২৪ আগস্ট রাতে ডেকে নিয়ে দুই বোনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় ২৫ আগস্ট পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এক বোনের স্বামী বাদী হয়ে মঙ্গলবার দর্শনা থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এরপর দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান কাজল, তদন্ত (ওসি) শেখ মাহাবুবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত মামলার ২নং আসামি মিলনকে গ্রেফতার করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দর্শনা থানার (ওসি) তদন্ত শেখ মাহাবুবুর রহমান জানান, গত বুধবার (২৬ আগস্ট) ধর্ষণের শিকার দুই নারীর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে। একই দিনে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মানিক দাসের আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় তারা জবানবন্দি দিয়েছে। একই আদালতে গ্রেফতার মিলন অপরাধ স্বীকার করে বাকি আসামিদের নাম উল্লেখ করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শামিম কবির জানান, হাসপাতালের সিনিয়র গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. আকলিমা খাতুনকে প্রধান করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে ধর্ষণের শিকার দুই বোনের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।

/টিএন/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের