ধারণক্ষমতার অধিক যাত্রী নিয়ে বরিশাল নদীবন্দর থেকে রাজধানীর উদ্দেশে ছেড়ে গেছে সাতটি বিলাসবহুল লঞ্চ। কোনও লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টাও দেখা যায়নি। স্বাস্থ্যবিধি পালনে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ কিংবা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের কোনও ভূমিকা দেখা যায়নি।
লকডাউনের কারণে ১৯ দিন বন্ধ থাকার পর বরিশাল-ঢাকাসহ অন্যান্য রুটের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে বুধবার থেকে। রাত ৯টার দিকে বরিশাল নদীবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে সাতটি বড় লঞ্চ। প্রতিটি লঞ্চের ডেকে, সামনের লনে এবং কেবিনের লনে ছিল অতিরিক্ত যাত্রী। যাত্রীদের অধিকাংশের মুখে ছিল না মাস্ক। শারীরিক দূরত্বও উপেক্ষিত ছিল প্রতিটি লঞ্চে। যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজারও দেয়নি লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। এমনকি লঞ্চগুলোতে যাত্রী ওঠানোর আগে জীবাণুনাশক স্প্রে করার নির্দেশনা থাকলেও কোনও লঞ্চে তা করা হয়নি। এদিকে, ভাড়া নেওয়া হয়েছে আগের নির্ধারিত রেটে।
এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘১৯ দিন বন্ধের পর লঞ্চ চলাচলের জন্য যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি। কোনও যাত্রীর মাস্ক না থাকলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ মাস্কের ব্যবস্থা করেছে।’ মেসার্স সুন্দরবন নেভিগেশনের ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার সব ব্যবস্থাই আছে, কিন্তু যাত্রীর চাপে কিছুটা বিচ্যুতি হচ্ছে। তারপরও তারা স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল নদীবন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক কবির হোসেন বলেন, ‘অনেক দিন পর লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীরা গাদাগাদি করে উঠেছেন। কর্তৃপক্ষ চাইলেও তাদের লঞ্চ থেকে নামানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে প্রতিটি লঞ্চে যাতে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’









