নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুরে টাকা নিয়ে বিদেশ না পাঠানোর জেরে একজনকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে নাজিরপুর কলেজ গেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ইউপি চেয়ারম্যান শওকত রানা ও গুরুদাসপুর থানার ওসি আবদুল মতিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় নিহত আবুল কাসেম (৪০) ওই ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের সায়েদ আলী মোল্লার ছেলে। হত্যায় অভিযুক্ত কেনান একই ইউনিয়নের গোপীনাথপুর জোলারকান্দি এলাকার রজব আলীর ছেলে।
ইউপি চেয়ারম্যান শওকত রানা প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট পরিবার সূত্রে বলেন, আবুল কাসেম মানুষদের বিদেশ পাঠানোর দালালি করতেন। বিষয়টি জানার পর কেনান বিদেশ যাওয়ার জন্য তাকে টাকা দেন। কিন্তু তাকে বিদেশ পাঠাননি কাসেম। টাকাও ফেরত দেননি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার পৌনে ১০টার দিকে কাসেম নাজিরপুর কলেজ গেটে পৌঁছলে কেনান তার পথরোধ করে। এক পর্যায়ে তর্কাতর্কির জেরে কেনান কাসেমকে লোহার রড দিয়ে পেটায়। পরে হাতে থাকা ড্যাগার দিয়ে উপর্যুপরি সাগ-আটটি আঘাত করে। স্থানীয় লোকজন কাসেমকে নাটোর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি জানান, টাকা লেনদেনের ঘটনায় কাসেমকে হত্যার বিষয়টি জেনেছেন। এ ব্যাপারে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা বা কাউকে আটক করা হয়নি। মামলার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









