তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দি

রংপুর প্রতিনিধি
১৯ জুন ২০২৩, ১২:২৩আপডেট : ১৯ জুন ২০২৩, ১৬:০১

গত কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টি, উজান থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এবং পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারতের গজল ডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি মারাত্মক বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলের ২৫টি গ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকার ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে, উজানে ভারতে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এজন্য বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ায় ভারত তাদের গজল ডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় হু-হু করে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি বিপদসীমা অতিক্রম করে। রবিবার দুপুরের পর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তাবেষ্টিত ২৫টি চরাঞ্চলের গ্রামগুলো তিন থেকে চার ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

নদী তীরবর্তী এলাকার ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার সকালে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার এবং গঙ্গাচড়ায় দশমিক ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে যে হারে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে বিকালের পর ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে ও গঙ্গাচড়ায় পানি আরও বাড়তে পারে।’

কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ বলেন, ‘চিলাখাল, চর মটুকপুর, বিনবিনা এলাকার ১২শ এবং লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ, চর ইচলী, এলাকার ৭শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তাদের বাড়িঘর দুই থেকে তিন ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে।’

গজঘণ্টা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলতাফ জানান, ছালাপাক, জয়দেবসহ নিম্ন এলাকার চার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বাড়িঘরে পানি ওঠায় বিনবিনা এলাকায় অনেক পরিবার গবাদিপশু, বাড়ির আসবাবপত্রসহ রাস্তায় এবং উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের আব্দুল্লা আল হাদী জানান, শংকরদহ, ইচলি, জয়রামওঝা ও বাগেরহাট এলাকায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

/এমএএ/
সম্পর্কিত
পদ্মা ও তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানালেন মাহদী আমিন 
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর টোল প্লাজার কর্মীদের হামলা, আহত ৯
তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনায় চীনের সম্পৃক্ততা চায় বাংলাদেশ
সর্বশেষ খবর
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জাসদ (ইনু)
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জাসদ (ইনু)
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি