খুলনার উৎসবমুখর পরিবেশ হঠাৎ করেই সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে খুলনার বটিয়াঘাটা, দাকোপ, পাইকগাছা, ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার ইউনিয়নে আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি সংঘাত দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদখালী ও সোলাদানাসহ কয়েকটি স্থানে সরকার দলীয় প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকরা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কর্মী ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালানোয় ভোটাররা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে সংঘাত-সহিংসতার আশংকা। ইতোপূর্বে বেশ কয়েকটি স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। যার বেশির ভাগ ঘটনা ঘটেছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের কর্মী, সমর্থক ও নির্বাচনী কার্যালয়ে। সরকার দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকরা যেভাবে সহিংসতার দিকে ঝুঁকছে তাতে ২২ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিএনপি মনোনীত ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যানপ্রার্থীরা।
দাকোপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত বিনয় কৃষ্ণ রায়ের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সঞ্জয় মোড়লের সমর্থকদের মারামারি হয়েছে। আহত হয়েছে ১০জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষ থেকে মামলাও হয়েছে। টাকা দিয়ে ভোট কেনার অপরাধে জালাল উদ্দীনের ৩ কর্মীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভোটকে কেন্দ্র করে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে। প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। তবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটানো,মটর সাইকেল শোভাযাত্রা,ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।







