ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে খুলনার আড়ংঘাটায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুলকে হুমকি, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মিতুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে আড়ংঘাটা খানার ওসির বিরুদ্ধে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ওসিকে দ্রুত অপসারণের দাবি তুলেছেন বিএনপি নেতারা।
এছাড়া আমিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী খায়রুল ইসলাম জনির ওপর সন্ত্রাসী হামলা চলাকালে থানায় খবর দেওয়ার পরও কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমির এজাজ খানকে হাত-পা ভেঙে এলাকা থেকে বের করে দিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ তুলে বটিয়াঘাটা থানার ওসিকে অপসারণের দাবিও তুলেছেন বিএনপি নেতারা।
এক বিবৃতিতে বিএনপির নির্বাচন সমন্বয় কমিটির নেতারা বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পরও আড়ংঘাটা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর নৌকা প্রতীকের পক্ষে মাইক ব্যবহার করে কর্মী সভা চলছিল। এর আগে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছামাত্র পুলিশ মিতুলের ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণা বন্ধ করতে বাধ্য করেছিল। তাই বৃহস্পতিবার রাতে মিতুল ফোনে থানার ওসিকে নির্বাচনি আচরনবিধির কথা মনে করিয়ে দিয়ে নৌকার পক্ষে প্রচারণা চলছে বলে অভিযোগ করেন। তবে ওসি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান এবং ‘বেশি বুঝলে নির্বাচন করার খায়েশ মিটিয়ে দেবেন’ বলে হুমকি দেন।
কিছুক্ষণ পরই থানার ৭ জন এসআই-এএসআই গিয়ে স্থানীয় বিএনপি অফিস থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুলকে তুলে নিয়ে যায়। এক ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে রেখে পুলিশ তার ওপর নির্যাতন চালায় বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির নেতারা। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে গভীর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিএনপির নেতারা এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোসহ আড়ংঘাটা থানার ওসিসহ ‘অতি উৎসাহী’ পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত অপসারণ দাবি করেছেন।








