সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে কয়লা বোঝাই লাইটারেজ জাহাজ ডুবির ঘটনায় এখনও উদ্ধার কাজ শুরু না হলেও জাহাজটি সনাক্ত করেছে নৌবাহিনী।
তবে উদ্ধার কাজ শুরু করতে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিআইডব্লিউটিএ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে দুর্ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।
আর এ ঘটনায় পূর্ব সুন্দরবনের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) কামাল আহমেদকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ। কমিটি বনের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ ও কারণ অনুসন্ধান করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবেন। কমিটির কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী মতিয়ার রহমান এবং ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) সাইদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বনবিভাগ মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর দুর্ঘটনাস্থলটি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, জাহাজের মাস্টার মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করলেও বনবিভাগ থেকে কোনও মামলা করা হয়নি।
গত ১৬ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এক হাজার ২শ’ ৩৫ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে যশোরের নওয়াপাড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এমভি সি হর্স-১ নামের লাইটারেজ জাহাজটি। হরিণটানা এলাকায় তলা ফেটে যাওয়ার পরপরই জাহাজটিতে পানি উঠতে শুরু করে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই জাহাজটি সম্পূর্ণ পানিতে ডুবে যায়। তবে জাহাজের ১২ জন নাবিক ও ক্রুকে পেছন থাকা ওটি নূর জাহান-১ উদ্ধার করে।
২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ফার্নেস তেলবাহী ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ নামের একটি ট্যাংকার এবং ২০১৫ সালের ২৭ অক্টোবর শ্যালা ও পশুর নদীর মোহনায় এমভি জিয়া রাজ নামে কয়লাবাহী একটি কার্গো জাহাজ ডুবে যায়।
/এসএনএইচ/







