নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মোটরসাইকেলের তেল আনতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মারা গেছেন অন্তর ও ইমন (১৯) নামে দুই বন্ধু। ঘটনাস্থলে অন্তর নিহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে দাগনভূঞা-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের এনায়েত ভূঁঞা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমন উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিন হাজীর বাড়ির রেজাউল হকের ছেলে। তিনি পেশায় সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। অন্তর উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টেকের বাজার-সংলগ্ন মৃধাবাড়ির একরামুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অকটেন ও পেট্রোলের সংকট চলছে। এ কারণে বৃহস্পতিবার বিকালে দুই বন্ধু অন্তর ও ইমন মোটরসাইকেলের জন্য তেল আনতে ফেনীর একটি পাম্পের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। তেল নিয়ে ফেরার পথে দাগনভূঞা-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের এনায়েতভূঞা এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত একটি যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনায় অন্তর সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার চার দিন পর সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমনও মারা গেলেন।
রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) এনায়েত উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইমনের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চার ভাই দুই বোনের মধ্যে ইমন সবার ছোট ছিল। পরিবারের হাল ধরতে কিছুদিন পর ইমনের প্রবাসে যাওয়ার কথা ছিল। তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম বলেন, ‘বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। তবে খোঁজখবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’









