বরিশালের শায়েস্তাবাদের ছোট রাজাপুর গ্রামে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে হত্যার অভিযোগে মা লিপি আক্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পলাতক রয়েছে প্রেমিক ও সহযোগিতাকারী ইউপি মেম্বর।
শনিবার (৪ জুন) সকালে ওই নারীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ছোট রাজাপুর গ্রামের মামলার বাদী জেলে সোহরাব হাওলাদারের স্ত্রী। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- ওই নারীর প্রেমিক একই ইউনিয়ন রামকাঠি গ্রামের বাসিন্দা নুরু খানের ছেলে কৃষক কবির খান ও শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য ও পানবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সোবাহান খানের ছেলে জসিমউদ্দিন খান।
উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জাকির হোসেন মজুমদার জানান, গত ২৭ মে স্কুলছাত্রী তন্নী ঘরে এসে মা লিপি ও তার প্রেমিক কবির খানকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলে। এতে ভীত হয়ে তন্নীকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তারা দুজন। পরে ওই গামছা দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার প্রচারণা চালান মা। লিপির চিৎকার করে লোকজন এনে লাশ নামিয়ে পুলিশে খবর দেয়। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ও ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এ ছাড়াও এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুও মামলা করে শিশুটির বাবা। ব্যাপক তদন্তে আসল ঘটনা বের হয়ে এলে গ্রেফতার করা হয় লিপিকে। আর ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টাকারী হিসেবে মামলায় মেম্বার জসিমকেও আসামি করা হয়েছে। ওই দুজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।









