১১ লাখ লিটার তেল নিয়ে মেঘনায় ডুবে যাওয়ার ৮০ ঘণ্টা পর সাগর নন্দিনী-২ জাহাজটির উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে কোস্টগার্ডের উদ্ধারকারী বার্জ ঘটনাস্থলে আসার পর বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভোলার মেঘনায় ডুবে যাওয়ায় কার্গো জাহাজের উদ্ধার শুরু হয়।
এই কাজে বিআইডব্লিউটিএ এবং কোস্টগার্ডসহ ৫০ সদস্যের ডুবুরি ও বিশেষজ্ঞ দল অংশ নিয়েছেন। সহযোগিতা করছে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ। পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিএম এবং দুর্ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসিফ মালেক এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক (নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগ) মো. শাজাহান বলেন, উদ্ধার কাজে ৫০ সদস্যের একটি টিম অংশ নিয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় ড্রেজিং কাজ শুরু হয়। সকালে ঘন কুয়াশা এবং স্রোতের কারণে কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শেষ হব। তবে কখন শেষ হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, রবিবার ভোরে ভোলা সদর উপজেলার তুলাতুলি এলাকার মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে তেলবাহী জাহাজ ‘সাগর নন্দিনী-২’ এর সঙ্গে নোঙর করা আরেকটি জাহাজের সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে সাগর নন্দিনী জাহাজের পেছনের তলা ফেটে তা পানিতে নিমজ্জিত হয়। জাহাজে থাকা মাস্টারসহ ১৩ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। মেঘনার পানিতে ভেসে যায় ১১ লাখ লিটার জ্বালানি তেল ছিল। যার বাজারমূল্য ১০ কোটি টাকার ওপরে।









