বরিশালে জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বরিশাল মহানগরের আহ্বায়কসহ ৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। হামলায় আহত একজনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ফকিরবাড়ি রোডে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ হামলার জন্য এনসিপিকে দায়ী করেছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।
আহতরা হলেন- বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল, জেলা সদস্যসচিব অ্যাড. এম এ জলিল, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম গফুর, আক্তার রহসান সফরু, তরুণ পার্টির আহ্বায়ক জুম্মান হায়দারসহ ৬ জন। এর মধ্যে জুম্মান হায়দারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহসিন উল ইসলাম হাবুল বলেন, ‘রংপুরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফকিরবাড়ি দলীয় কার্যালয় থেকে সদর রোডে যাওয়ার পথে এ হামলা চালানো হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেশ কয়েকজন দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। আকস্মিক হামলায় প্রতিহত করার সুযোগ ছিল না। পরবর্তীতে ফকিরবাড়ির স্থানীয় বাসিন্দারা হামলাকারী একজনকে আটকে গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দেয়।’
এ ব্যাপারে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) ডা. মাহামুদা মিতু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টি শেখ হাসিনার ডামি নির্বাচনে মদত দিয়েছে। তারা ডামি বিরোধী দল হিসেবে তাদের রোল প্লে করেছে। তারা কীভাবে এ দেশে রাজনীতি করতে চায়। তাদের অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হওয়া উচিত। আর তাদের তো এনসিপি প্রতিহত করছে না। তাদের প্রতিহত করছে সাধারণ মানুষ। বরিশালে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে সে হামলা চালিয়েছে সাধারণ জনগণ।’ এখানে এনসিপির কোনও নেতাকর্মী জড়িত নয় বলে দাবি করেন তিনি।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, হামলার ঘটনার সময় একজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তার নাম-পরিচয় বা কোন দলের তা এখনও জানা যায়নি। এ হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা-ও তারা জানেন না। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।









