নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর পাঁচ সদস্যের বিরূদ্ধে দায়ের মামলায় সাত বছর পরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রথম পর্যায়ে সাক্ষী দিলেন তিনজন।
রবিবার খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ মো. ইনামুল হক ভুইয়া’র বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে তারা এই সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীরা হচ্ছেন জেলার মাটিরাঙা উপজেলার শান্তিপুর এলাকার আবদুল হাকিম, নুরুল ইসলাম ও সুলতান আহমেদ।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিধান কানুনগো জানান, খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার দুর্গম শান্তিপুর এলাকায় ২০০৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে জেএমবির প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের সন্ধান পায় নিরাপত্তা বাহিনী। ওই সময় কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার ছুটনা গ্রামের আবদুর রহিম, খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন, মো. ইউনুছ ও সামছু মিয়াকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করলেও কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার শিকারপুর গ্রামের শামীম আহমেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।ঘটনার পরদিন তাদেরকে আসামি করে মাটিরাঙা থানায় মামলা করা হয়।
তদন্ত শেষে ১১ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল বরেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাটিরাঙা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান।
আরও পড়ুন:
আমরা এ ক্যান্সার অপারেশন করে ফেলবো: নর্থ সাউথ উপাচার্য
ধারাবাহিক জঙ্গি হামলা: তাত্ত্বিক নেতাদের নাগাল পাচ্ছে না পুলিশ
জঙ্গিবাদ ইস্যুতে বিএনপির পাশে থাকছে না জামায়াত
/বিটি/







