একসময় আমরা বলেছি ফারক্কা বাঁধ আমাদের জন্য মরণ ফাঁদ, কিন্তু এখন তা ভারতের জন্য মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত এখন ফারাক্কার সবগুলো গেট খুলে দিলে কিংবা ভেঙে দিলেও আমাদের কোনও ধরনের সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। রবিবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মার পানি এখনও বিপদসীমার নিচে আছে। ফারাক্কা বাঁধের পানিতে কোনও ধরনের সমস্যা হবে না বলে আমরা মনে করি। তারপরও বর্ষার শেষে পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকেই যায়। তবে যেকোনও দুর্যোগ মোকাবিলায় আমার মন্ত্রণালয়ের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সহায়তা করার জন্য আমরা নভেম্বর মাস পর্যন্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’
চাঁদপুরে সম্প্রতি বিদ্যুতের লোডশেডিং এর মাত্রা বেড়েছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী মায়া বলেন, ‘সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট থেকে শুরু করে এখন ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে সরকার। এখনতো লোডশেডিং শব্দটা থাকার কথা না। যদি টেকনিক্যাল কোনও সমস্যা থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা লিখিত আকারে তা তুলে ধরলে সমাধানের চেষ্টা করবো।’
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডলের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র নাছিরউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, নৌ পুলিশের এসপি সুব্রত কুমার হালদার, নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন্নাহার চৌধুরী।
সভায় আগামী ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর হাট নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদপুরের নৌ, সড়ক ও রেলপথে যাত্রীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
- অভিন্ন নদীতে একতরফা পানি ছাড়া উচিত না: তথ্যমন্ত্রী
- ফারাক্কা বাঁধ খুলে দেওয়ায় কুষ্টিয়ায় এক লাখ মানুষ পানিবন্দি
/এমও/








