রাঙামাটির লংগদু উপজেলার পাহাড়ি গ্রামে আগুনের ঘটনার ছয় মাস পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের গৃহনির্মাণের জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর দরপত্র আহ্বান করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ১৭৬ পরিবারের জন্য চারটি প্যাকেজে গৃহ নির্মাণ করা হবে। এর আগে বুধবার (২৯ নভেম্বর) লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম দরপত্রটিতে (স্মারক নং-০৫.৪২.৮৪.৫৮.০০০.০১.০০৩.১৭.১০০০, দরপত্র নং-০১/২০১৭-২০১৮) স্বাক্ষর করেন।
দরপত্রে উল্লেখ করা হয়, পিপিআর ২০০৮ (সংশোধিত ২০০৯) মোতাবেক ওটিএম পদ্ধতিতে এলজিইডির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী ৯ ডিসেম্বর দরপত্র বিক্রি শুরু হবে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর রাঙামাটির জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়, লংগদু উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দরপত্র বিক্রি করা হবে। ইউএনও মোসাদ্দেক মেহেদী ইমামের কক্ষে ৩১ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় দরপত্র খোলা হবে।
প্রতিটি প্যাকেজে ৪৪টি ঘর নির্মাণের জন্য ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ১২০ দিন সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম জানান, আগামী ২ ডিসেম্বর জাতীয় দুইটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আশা করছি খুব সুন্দরভাবে কাজটি শেষ করতে পারবো। কাজটি শেষ করতে ইউএনও সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এদিকে, টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা। লংগদু জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনি শংকর চাকমা বলেন, ‘খবরটি শুনে আমরা আনন্দিত। আরও বেশি খুশি হবো কাজটি সঠিকভাবে সময় মতো শেষ হলে।’
তিনি বলেন, ‘শীতকাল চলছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের দলীয় কার্যালয় দুটি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনও সহযোগিতা পাইনি।’
একই দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত প্রেম রঞ্জন চাকমা। তিনি বলেন, ‘কাজটি যেন সঠিকভাবে হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার খেয়াল রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’







