কুমিল্লায় মাটির নিচে দিয়ে পাইপের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চালু হয়েছে। এ পদ্ধতি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার হরিপুর গ্রামের ১৬০ একর ফসলী জমির জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়েছে। কুমিল্লার সেচ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এ সেচ পদ্ধতির কারণে কৃষকরা অনেক উপকৃত হবে। এখন তারা এক ফসলের জায়গায় তিন ফসল করতে পারবেন। তাই কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
হরিপুর গ্রামের কৃষক নুরুল আলম জানান, তিতাসের ভিটিকান্দি ইউনিয়নের হরিপুর মাঠের চার দিকে রাস্তা। মাঠের মাঝখানের অংশ নিচু। তাই মাঘ-ফাল্গুন মাস পর্যন্ত পানি সরে না। একারণে তাদের জন্য এক ফসল করাই কঠিন হয়ে যেত। সামান্য কিছু জমিতে বাদাম, সরিষা, মরিচ, মিষ্টি আলু ও টমেটো চাষ করা যেতো। নিচু অংশের মাটির নিচে পাইপ দিয়ে জমির পানি এখন গোমতী নদীতে ফেলা হচ্ছে। পানি ফেলার স্থানে একটি স্লুইসগেটও রয়েছে। যাতে প্রয়োজনে পানি ঢুকানো যায়। স্থানীয়রাই এটা দেখাশোনা করছে। তারা এখন তিন ফসল করতে পারবে।
কুমিল্লা সেচ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদরুল আলম জানান, মাটির নিচ দিয়ে পাইপের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কারণে জমির অপচয় হয়নি। হরিপুরের এই প্রকল্পটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের কারণে ফসল উৎপাদনও বেড়েছে।
আরও পড়ুন: নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরই ভেঙে পড়েছে কালভার্টের একাংশ







