কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ডিবির ওসিসহ পাঁচ পুলিশ ও দুই ডাকাত সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ মে) দুপুরে গোমতী নদীর নন্দনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলো- জেলার দাউদকান্দি উপজেলার বাজরা গ্রামের রাজু মিয়ার ছেলে মহসিন (৩৭) ও একই গ্রামের জলিল মিয়ার ছেলে মো. রিপন (২৩)। তাদেরকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সূত্র জানায়, দীর্ঘ দিন যাবৎ দাউদকান্দিতে গোমতী নদী কেন্দ্রিক জলদস্যুদের একাধিক গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। ডাকাতরা নৌপথে যাত্রী ও পণ্যবাহী জাহাজ, লঞ্চ ছাড়াও বালু ও মাটি পরিবহন করা বড় নৌকা ও ট্রলারের চালক ও যাত্রীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, হামলা, মালামাল লুটসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। ডাকাতদের আটক করতে গিয়ে এর আগে ২৩ জানুয়ারি ডাকাতদের সঙ্গে ডিবি ও পুলিশের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার গোমতী নদীর দাউদকান্দি উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় ১০/১২ জনের সশস্ত্র ডাকাত দলের অবস্থানের খবর পেয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি ও থানা পুলিশের চারটি টিম ডাকাতদের ঘিরে ফেলে। এতে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় ডিবি ও থানা পুলিশ –আত্মরক্ষায় ৪৪ রাউন্ড গুলি চালায়। ডাকাতদের আক্রমণে ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা, ডিবির পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন, এসআই শাহ কামাল আকন্দ, এসআই সহিদুল ইসলাম এবং কনস্টেবল মো. কামাল উদ্দিন আহত হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি এক নলা বন্দুক, একটি দেশীয় তৈরি এলজিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় দুই ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়।







