জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারীকে ৭ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৩ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার জাহান এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের (সিটিটিসি) রাজেশ বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাতে তাদের দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়।
আসামিরা হলো-চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী আবুল খায়ের ভূঁইয়া (৪৫) ও মিরসরাই উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন (৪৫)।
রাজেশ বড়ুয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে আটকের পর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
প্রসঙ্গত, ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে দুই সহযোগীসহ চট্টগ্রাম নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীনকে কমিশনের একটি ল্যাপটপসহ আটক করে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। পরে তাদের তিন জনকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এই মামলায় পুলিশ এই পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
এই পাঁচ জন ছাড়া অপর আসামিরা হলো- আইডিইএ প্রকল্পের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট শাহানূর ইসলাম, মোস্তফা ফারুক, কোতোয়ালি থানার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর মো. শাহীন, বন্দর থানার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর মো. জাহিদ এবং ডবলমুরিং থানার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পাভেল বড়ুয়া।








