চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে এক কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। মারহাবা ফ্রেশ ফ্রুটস নামের একটি ফল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আপেল ঘোষণা দিয়ে এসব সিগারেট আমদানি করে।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা কায়িক পরীক্ষার পর আপেলের প্যাকেট থেকে মোট ২২ লাখ ১৯ হাজার শলাকা সিগারেট উদ্ধার করে।
এর মাধ্যমে পাঁচ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার সালাহউদ্দিন রিজভী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ফ্রেশ ফ্রুটস নামের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ তাজা আপেলসহ ফল আনার ঘোষণা দিয়ে আরব আমিরাত থেকে এক কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে। ৬ ডিসেম্বর ডাচ বাংলা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে পণ্য আমদানির এলসি খোলা হয়।’
তিনি জানান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট জিমি এন্টারপ্রাইজ চালান খালাসের জন্য গত সোমবার বিল অফ অ্যান্ট্রি জমা দেয়। চালানটি প্রাথমিকভাবে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বুধবার বিকালে কাস্টমসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইউনিটের কর্মকর্তারা পণ্যের খালাস আটকে দেয়। পরে কায়িক পরীক্ষায় এক হাজার ১২০টি কার্টন পরীক্ষা করে ৭৫৪টিতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। এর মধ্যে ছয় লাখ ৯১ হাজার ৪৮০ শলাকা মন্ড, ১৪ লাখ আট হাজার ৭২০ শলাকা ইজি, এক লাখ ১৮ হাজার ৮০০ ওরিস ব্র্যান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। কার্টনগুলোতে আপেল পাওয়া যায় ১৫ হাজার ৯৮ কেজি। এসব সিগারেটের আমদানি মূল্য এক কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে পাঁচ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। আমদানিতে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।









