চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রের (৭) গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার শিক্ষক জাফর আহমদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
ররিবার (৬ মার্চ) বিকালে চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন। জাফর আহমদ বোয়ালখালীর চরণদ্বীপ ইউনিয়নের আল্লামা শাহ আছিয়র রহমান হেফজখানা ও এতিমখানার শিক্ষক।
শনিবার (৫ মার্চ) হেফজখানা থেকে কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় ওই ছাত্রের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। সে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। এ ঘটনায় তিন শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। রবিবার সকালে নিহতের মামা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বোয়ালখালী থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে করা মামলায় জাফর আহমদকে গ্রেফতার দেখানো হয়। অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: হেফজখানায় কম্বলের ভেতর ছাত্রের গলাকাটা লাশ, মাদ্রাসার ৩ শিক্ষক আটক
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম জানান, রবিবাব বিকালে আদালতে সোপর্দ করে জাফর আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
নিহতের বড় ভাই বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার বিকালে তাকে এক মাস পর মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে আনা হয়। পরদিন শুক্রবার বিকালে মাদ্রাসায় দিয়ে আসা হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে খবর পাই, তাকে মাদ্রাসায় পাওয়া যাচ্ছে না। জাফর হুজুর মামাকে ফোন করে নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে বলেন, প্রস্রাব করতে বের হওয়ার পর আর পাওয়া যাচ্ছে না। মাদ্রাসার কাছাকাছি থাকা আমার কয়েকজন বন্ধুকে ফোন করে বলি। আমিও তাৎক্ষণিকভাবে মাদ্রাসায় যাই। এ সময় রুস্তম হুজুর বলেন, তাকে হয়তো জ্বিনে পেয়েছে, আজান দাও। সবাই আজান দেওয়ার পর মাদ্রাসার চার দিকে খুঁজতে থাকি। এরপর দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে কম্বলে মোড়ানো লাশ পাওয়া যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে জাফর হুজুর তাকে ২০ টাকা দিয়েছিলেন। কোনও অসৎ উদ্দেশ্যে এই টাকা দিয়েছিলেন বলে সন্দেহ হচ্ছে।’








