চাঁদপুরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ, বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতকর্মীসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করেছে।
নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বুধবার (৯ মার্চ) বিকালে শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডের জেলা বিএনপির অফিস এলাকায় সমাবেশ করে স্বেচ্ছাসেবক দল। সেখানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডে একটি ট্রাকে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। বিকালে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মিছিল ও সমাবেশ করে জেলা কার্যালয়ের সামনে আসতে থাকে। এ সময় রাস্তা অবরোধ করে সমাবেশ করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীরা। বিপরীতে কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আসিফ মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের বাসভবনে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিকালে দুই জনকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ মহিউদ্দিন দাবি করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করছিল। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় পুলিশ বাধা দিলে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা যে ট্রাকে দাঁড়িয়ে সমাবেশ করেছিল সেটি জব্দ করেছি। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।








