ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন শ্রেষ্ঠ ইবাদত। এটা উম্মতে মোহাম্মদীর নাজাতের উসিলা হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) চেয়ারম্যান হযরত শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভান্ডারী।
তিনি বলেন, ‘ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে জশনে জুলুস (আনন্দ র্যালি) আয়োজনের মধ্য দিয়ে সত্যপন্থীদের জাগরণ ঘটেছে এবং জঙ্গি, উগ্র অপশক্তির পতনের বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’
শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী মাদাম বিবির হাটে বিভিন্ন দলের উদ্যোগে আয়োজিত জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেন, ‘মদিনা শরিফ থেকে প্রিয়নবী (দ.) হাজার হাজার সাহাবি নিয়ে জুলুসসহ মক্কা শরিফে গমন করেন। মক্কা বিজয় ঘটেছে জশনে জুলুসের মাধ্যমে প্রিয়নবীর (দ.) নেতৃত্বে। আল্লাহ পাক প্রিয় নবীর (দ.) সৃষ্টির পর ফেরেশতাদের মাধ্যমেও জশনে জুলুস পালন করে নবীজীর (দ.) মর্যাদাকে সমুন্নত করেছে। তাই এটি কখনোই মন্দ কাজ হতে পারে না।’
বিএসপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বর্তমানে একশ্রেণির লোক ইসলামের মৌলিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে জঙ্গিবাদী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। তাদের কারণে শান্তি-সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামকে নেতিবাচক ধারায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। অথচ মহানবীর (দ.) সব কর্মের প্রধান উপজীব্য হলো মানবতাবোধ, মানুষের মুক্তি ও কল্যাণ সাধন। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন সাম্য মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ, বৈষম্যহীনতা ও ন্যায়পরায়ণতার।’
এ সময় তিনি আগামী ১২ রবিউল আউয়াল, বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার উদ্যোগে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) ও আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশে দলে দলে যোগদান করতে সকল নবীপ্রেমিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন, হযরত শাহজাহান শাহ (রহঃ) মাওলানা জামে মসজিদের খতিব শাহজাদা মাওলানা আহমদুল হক মাইজভান্ডারী। এতে সভাপতিত্ব করেন জশনে জুলুস পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলম।









