গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ১০ টন পচা চা জব্দ ও এক লাখ পঁচাশি হাজার টাকা জরিমানা করেছে চা বোর্ডের ভ্রাম্যমাণ আদালত। চা বোর্ডের ব্লেন্ডিং লাইসেন্স না থাকা, নিলাম বহির্ভূত অবৈধ চা মজুত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত চা প্যাকেট করে অনুমোদনহীন ব্র্যান্ডে বিক্রির অপরাধে এই জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়াও চা লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন করায় খাজা আজমির টি হাউজ নামক প্রতিষ্ঠানের খুচরা-পাইকারি লাইসেন্স বাতিল করেছে।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপসচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ রুহুল আমীন দেশের চা ব্যবসার নানা অনিয়ম বন্ধে এসব অভিযান পরিচালনা করেন। সোমবার (০৯ অক্টোবর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর আকবর শাহ এলাকায় অনুমোদনহীন ব্র্যান্ডে চা বিক্রির দায়ে এ আর ট্রেডার্স নামক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা; ২ অক্টোবর ডাবলমুরিং এলাকায় মেসার্স পিয়াল মার্ট নামক প্রতিষ্ঠানকে ১০ টন পচা চা মজুত ও বিক্রির অপরাধে ৫০ হাজার টাকা; ২৭ সেপ্টেম্বর চান্দগাঁও এলাকার খাজা আজমির টি হাউজকে নিলাম বহির্ভূত চা মজুত, ব্লেন্ডার লাইসেন্স না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা চা প্যাকেটিং ও বিক্রির অপরাধে ২০ হাজার টাকা; ২৬ সেপ্টেম্বর বি বাড়িয়া টি হাউজ নামক প্রতিষ্ঠানকে ব্লেন্ডার লাইসেন্স না থাকায় ৫০ হাজার টাকা এবং ২৫ অক্টোবরের অভিযানে ব্লেন্ডার লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করার অপরাধে আব্দুস সালাম নামক এক ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীন বলেন, লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা, অবৈধভাবে নিলাম বহির্ভূত চা মজুত ও অস্বাস্থ্যকর পচা চা বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। চা ব্যবসায়ে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত কল্পে সারা দেশে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।









