মাথায় ব্যান্ডেজ, শরীরে ছোপ ছোপ রক্ত; খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা ফিলিস্তিনি শিশুটির দেখা মেলে কুমিল্লা নগরীর ইউসুফ হাইস্কুলের মাঠে! তার পাশে বঙ্গবন্ধুর সাজে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ সংলাপে প্রকম্পিত করে আরেকজন। এভাবেই ২০ জনের বেশি শিশুর কেউ সেজেছে বাঙালি গৃহবধূ, কেউ যুদ্ধাহত বীর, মসজিদের ইমাম, লাল পরী, সাদা পরী, আবার কেউ সেজেছে বেদেনি।
শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) কুমিল্লা নগরীর ইউসুফ হাইস্কুল মাঠে শিশুদের ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ অনুষ্ঠানে শিশুরা তুলে ধরে এমন সব চরিত্র। আলোকিত বজ্রপুর নামের একটি সংগঠনের আয়োজনে ‘পৌষের পিঠা উৎসব’ অনুষ্ঠানে এমন চিত্র দেখা গেছে। এই অনুষ্ঠানে নানান ধরনের পিঠার দোকান নিয়ে বসেন বজ্রপুর এলাকার গৃহিণীরা। এসব পিঠার স্টলে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পুলি, নারিকেল নাড়ু, মেরা, পাটিসাপটা পিঠাসহ অন্তত ২০ ধরনের পিঠার প্রদর্শনী করেন নারীরা।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র হাবিবুর আল আমিন সাদি, বীর মুক্তিযোদ্ধা অমল পাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম, প্রবীণ নাট্যশিল্পী হাশিম আপ্পু, ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, নাট্যজন শাহজাহান চৌধুরী, কবি সৈয়দ আহমাদ তারেক, কবি হালিম আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন আলোকিত বজ্রপুরের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাসুদ রানা চৌধুরী, সংগঠক হাসিবুল হাসান সুমন ও রুবেল পাল।
মাসুদ রানা চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার জন্য স্থানীয় পরিবারের নারীরা পিঠা বানিয়ে আনেন। এ ছাড়া স্কুলের ছুটিতে শিশুরা যেমন খুশি তেমন সাজোর মাধ্যমে নিজেদের তুলে ধরেছে।’








