স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে ৯ সরকারি কর্মকর্তাকে প্রধান করে সমীক্ষা কমিটি করেছে চট্টগ্রাম মীরসরাই উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২৮ আগস্ট) উপজেলার করেরহাট, হিঙ্গুলী, ধুম, জোরারগঞ্জ, ওচমানপুর, কাটাছরা, মিঠানালা ও ইছাখালী ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে এ কমিটি ঘোষণা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন।
জানা গেছে, টানা ৬ দিনের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কবলে পড়েছে চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১৬৫টি গ্রাম। এ সময় পানির নিচে তলিয়ে ছিল এসব গ্রামের সড়ক, বসতবাড়ি, কৃষিজমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মাছের পুকুর-ঘের। এ ছাড়া তলিয়ে গেছে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, টিউবওয়েল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার অসংখ্য কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র। বর্তমানে সড়ক ও কিছু কিছু বসতবাড়ি থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় সরকার ক্ষতি নিরূপণে সমীক্ষা শুরু করেছে।
সমীক্ষা কমিটিতে থাকা কর্মকর্তারা হচ্ছেন, ইমাম হোসেন-উপ-সহকারী প্রকৌশলী (করেরহাট), তাজাম্মল হোসেন-যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (হিঙ্গুলী), সরবারিনা রহমান লিনা-সমাজসেবা কর্মকর্তা (জোরারগঞ্জ), মাহমুদুর রহমান-প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ধুম), নাছিম আল মাহমুদ-সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (ওচমানপুর), মাঈন উদ্দিন-সহকারী শিক্ষা অফিসার (ইছাখালী), মহিউদ্দিন ঝিলানী-সহকারী প্রোগ্রামার আইসিটি অধিদফতর (কাটাছরা), ডা. জাকিরুল ফরিদ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (দুর্গাপুর), মেহের আফরোজ-মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (মিঠানালা)।
মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসক মাহফুজা জেরিন জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে ৯ সরকারি কর্মকর্তাকে প্রধান করে সমীক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাসগৃহ, টিউবওয়েল ও স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানার সমীক্ষা চালাবে। পরে অন্য ক্ষতির সমীক্ষাও করবে তারা। এ সময় উপজেলার শীর্ষস্থানীয় এ সরকারি কর্মকর্তা সমীক্ষা কমিটিকে বাস্তবভিত্তিক তথ্য দিয়ে জনসাধারণকে সহযোগিতার অনুরোধ করেছেন।








