চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের এস এন করপোরেশন নামের শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে জাহাজ কাটার সময় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজন মারা গেছেন। মৃত ব্যক্তির নাম খায়রুল শেখ (২১)। তিনি এস এন করপোরেশনে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ আরও ছয় জন ঢাকার ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে, রবিবার ভোরে ঢাকার একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহমেদ উল্লাহ (৩৮) নামে আরও একজন মারা যান।
বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার অ্যান্ড রিসাইকেলিং অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব নাজমুল ইসলাম নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘দগ্ধ হওয়া ১২ জনের মধ্যে ৮ জনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে হস্তান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোরে একজন মারা গেছেন। গতকাল রবিবারও একজন মারা গেছেন। ঢাকায় চিকিৎসাধীন ৮ জনের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন। বর্তমানে ঢাকায় ৬ জন চিকিৎসাধীন আছেন।’
বর্তমানে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছয় জন হলেন বরকত উল্লাহ (২৩), আনোয়ার হোসেন (৫০), আল আমিন (৩৬), জাহাঙ্গীর (৪৮), হাবিব (৩৬) ও কাসেম (৩৯)।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রায়হানুল কাদের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সীতাকুণ্ডে আহত ১২ জনকে শনিবার দুপুর ১টার দিকে চমেক হাসপাতালে আনার পর বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করানো হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত আট জনকে ঢাকায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
এর আগে, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকার এস এম করপোরেশন ইয়ার্ডে জাহাজ কাটার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আহত ১২ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
আরও পড়ুন:









