ড. ইউনূসের সরকারকে আরও দুই-এক বছর ক্ষমতায় দেখতে চাই: নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
২২ নভেম্বর ২০২৪, ২১:৪৪আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৪, ২১:৪৪

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমরা ৫৩ বছর দেখেছি। কাজেই আরও দুই-এক বছর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দেখতে চাই- তারা কী কী করে।’

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে তারুণ্যের গণসমাবেশে তিনি এ এ কথা বলেন। 

নুরুল হক বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যে আন্তর্জাতিক পরিচিতি- দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে টেনে তুলতে পারবেন। তিনি ছয়টি সংস্কার কমিশন করে দিয়েছেন। এ সংস্কার ছাড়া কোনও নির্বাচন হবে না।’

তিনি বলেন, ‘দুই-একটি রাজনৈতিক দল চায়, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসবে, আর আমরা কি আঙুল চুষবো? আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নাম যারা মুখে নেবে, তাদের প্রতিহত করতে হবে।’ 

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পক্ষে যারা অবস্থান নেবেন, আমরা বলতে চাই, তারা ফ্যাসিবাদের দোসর। আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ঠেকানোর জন্য আবার যদি কোনও বিপ্লবের ডাক দিতে হয়, এই চট্টগ্রামের মাটি থেকেই যেন তা শুরু হয়। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আমরা প্রয়োজনে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবো। আপনাদেরকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘অবশ্য সরকারকে ক্ষমতায় থাকার প্রশ্নে আমরা ব্ল্যাংক চেক দেবো না। আপনারা ভালো কাজ করবেন, আমাদের সমর্থন পাবেন। জনবিরোধী কর্মকাণ্ড করলে, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে, এক সেকেন্ডও সময় দেবো না।’

গণসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদ মামুন, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা প্রমুখ।

/এফআর/
সম্পর্কিত
আলোচনায় কিচেন কেবিনেট, কারা ছিলেন?
প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সরকারের মধ্যে ‘কিচেন কেবিনেট’ কেন বলা হয়?
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের