বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ বিক্রি, তদন্তে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
২৪ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৪৬আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৪৬

চট্টগ্রামের প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ বেচাকেনার অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে দুদকের একটি টিম স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলেন। এতে নেতৃত্ব দেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম।

দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে মাঠ নিয়ে সমস্যার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে রবিবার দুপুরে ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। স্কুলে উপস্থিত শিক্ষকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। বাকিটা তদন্তের পর দেখা যাবে।’

জানা গেছে, ১৪৭ বছরের পুরোনো ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৩ শতক জমির খেলার মাঠটি ২০০৬ সালে একটি পক্ষ মাত্র ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় কেনেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ এই খেলার মাঠটি স্কুলের জায়গা। মাঠটি স্কুলের বাউন্ডারির ভেতর।

এ প্রসঙ্গে ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহেদা আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রায় ৩ একর জমির ওপর এ স্কুলের অবস্থান। এ স্কুলের বয়স এখন ১৪৭ বছর। চট্টগ্রামের প্রাচীনতম স্কুলগুলোর মধ্যে এটি একটি। ২০০৬ সাল থেকে একটি ভূমিদস্যু চক্র স্কুলের খেলার মাঠ কিনেছে দাবি করে দখলের চেষ্টা করছে। স্কুলের নামে অধিগ্রহণ হওয়া জমি কীভাবে বিক্রি হয় তা বুঝতে পারছি না। ওই চক্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী। বিগত সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রভাব খাটিয়ে এ জমি দখলের চেষ্টা করে। এখন রাজনীতিতে যারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে তাদেরকে নাম ভাঙিয়ে এ মাঠ দখলের চেষ্টা করছে।’

বাকলিয়া সার্কেল ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুমা আক্তার কণা বলেন, ‘ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের জমি নিয়ে মামলা চলছে। মামলা চলাকালে নামজারি হবে না। এ পর্যন্ত চারবার নামজারির জন্য আবেদন করেছিল একটি পক্ষ। প্রতিবারই খারিজ করা হয়েছে। এবারও আবেদন করলে খারিজ করা হবে।’

/এফআর/
সম্পর্কিত
ত্রিমুখী তদন্তের ‍মুখে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল
নিয়োগ-টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ: এলজিইডির সাবেক পিডির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক
দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার জ্যাকব, কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের