ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা। একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ফলের ভিত্তিতে পাঁচটি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম সরকার।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৬৮ ভোট।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের (এলডিপি) ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ি মাছ) এম এ হান্নান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৪ হাাজার ১৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৬৯২ ভোট।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. মমিনুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের এলডিপির ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬৬০ ভোট।
পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জেলার ৭১১টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১৯০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ১৮ হাজার ৫৪ জন এবং নারী ভোটার ১১ লাখ ২৯ হাজার ৩২৫ জন।









