সেহরির সময় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯:৫৫আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯:৫৫

কক্সবাজারের উখিয়ায় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ (৩০) উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের এক প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত ৩টার দিকে সেহরি খেতে ওঠেন গৃহবধূ। এ সময় মুখোশধারী কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে মারধরও করা হয়। আক্রান্ত গৃহবধূর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ সময় প্রতিবেশীদের সামনেই মুমূর্ষু অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

গৃহবধূর ভাশুর বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আমার ভাইয়ের স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তার মাথায় আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।’

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, ‘নির্জন এলাকায় ওই ঘরে ভোররাতে সেহরি খেতে উঠেছিলেন গৃহবধূ। দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে একাধিক জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

ওসি নুর আহমদ বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গৃহবধূর পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশীদের মামলা রয়েছে। বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড কিনা, তার অনুসন্ধান চলছে। ঘটনাটি নিছক ডাকাতির নাকি ধর্ষণের কারণে সংঘটিত হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ অব্যাহত রেখেছে। জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হলে পুলিশ গ্রেফতারের অভিযান চালাবে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

/এএম/ 
সম্পর্কিত
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
পাবনায় কিশোরীকে হত্যা: কথিত প্রেমিকসহ ৩ জন গ্রেফতার
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের