৭ দিন ধরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় অচল

এক দাবিতে আন্দোলনে ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই, সমাধান কোন পথে?

নাসির উদ্দিন রকি, চট্টগ্রাম
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১

সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা সাত দিন ধরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অচলাবস্থা বিরাজ করছে। ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি চলছে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি। সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে এ আন্দোলন চলছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে আকাত্মতা প্রকাশ করেছেন চুয়েট শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনসহ একাধিক সংগঠন। তাদের সবার দাবি, আবু সাদাত সায়েমকে পুনর্বহাল।

এরই মধ্যে আন্দোলন গড়িয়েছে সপ্তম দিনে। দাবি আদায়ে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে চলেছে কমপ্লিট শাটডাউন। পাশাপাশি বেলা ১১টা থেকে চুয়েট শিক্ষক সমিতি উপাচার্য ভবনের সামনে দুপুর ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। দাবি আদায়ের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই দিন ‘৫৬’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা এ কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘প্রশ্নযাত্রা’। কর্মসূচিতে ৫৬ দিনের মধ্যেই কেন অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করা হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন তারা।

এদিন বেলা ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বর ঘুরে আবার শহীদ মিনারে শেষ হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখানে সমাবেশ করেন। এ অবস্থায় ষষ্ঠ দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা হয়নি।  

তবে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম বলেছেন, ‘গুটি কয়েক শিক্ষার্থী এ আন্দোলনের নামে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে। শিগগিরই এ সমস্যা কেটে যাবে।’

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে তার স্থলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে গত ২৭ জুলাই অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাত থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। এরপর দিন যত গড়িয়েছে, আন্দোলনও অব্যাহত ছিল।

আন্দোলনে শিক্ষকরাও

কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি

উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চুয়েটে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানান তারা। এর ধারাবাহিকতায় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) শাটডাউনের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

যা বলছেন শিক্ষার্থীরা

রবিবারের কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যাপক সায়েম অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য শিক্ষক ও উপাচার্য ছিলেন। তার ৫৬ দিনের নেতৃত্বে চুয়েট দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিল। কিন্তু হঠাৎ তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। তাকে পুনরায় উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন কর্মসূচি চলবে।

কর্মসূচিতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা আজকের কর্মসূচিতে একটাই প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করেছি। প্রতিটি প্ল্যাকার্ডে ৫৬-এর পাশে প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা জানতে চেয়েছি, ৫৬ দিনেই কেন অধ্যাপক সায়েমকে অপসারণ করা হয়েছে।’

নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড দেখালেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের আপত্তি নতুন উপাচার্যের ব্যক্তিগত বা একাডেমিক যোগ্যতা নিয়ে নয়। কোনও দৃশ্যমান ব্যাখ্যা ছাড়াই অধ্যাপক সায়েমকে পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই তাদের অবস্থান।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, অধ্যাপক সায়েম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তাদের সমস্যা শুনেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের দাবি, ২০০৫ সালে চুয়েটে শিক্ষকতা শুরুর পর থেকেই উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সুযোগ তৈরিতে তিনি কাজ করে আসছেন।

কর্মসূচিতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নাফিসা রিদিতা বলেন, ‘আমরা একটা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। আমরা সায়েম স্যারকে পুনর্বহাল চাই। এ দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো।’ 

অবস্থান কর্মসূচির এক পর্যায়ে পথনাট্য করেন শিক্ষার্থীরা। এতে তারা নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমের যোগদানকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেন। পাশাপাশি অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি তুলে ধরেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান শিক্ষার্থীরা

প্রশ্নযাত্রা কর্মসূচি শেষে বিকাল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন আন্দোলনরতরা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহরিয়ার হিশাম, মৌমিতা দত্ত প্রিয়া ও রাতুল হাসান। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা বলেন, অধ্যাপক সায়েম দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক কলাবোরেশন অফিস, রিসার্চ হাব, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগসহ নানা প্রগতিশীল পদক্ষেপ শুরু করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের মতে, এসব উদ্যোগ পর্যাপ্ত সময় পেলে চুয়েটের দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত ও স্পষ্ট হতে পারতো।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বর্তমান সরকার চুয়েটের শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ ও সম্মিলিত মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব দেবে বলে প্রত্যাশা করছি। চুয়েট পরিবারের উদ্বেগ, দেশ-বিদেশের অ্যালামনাইদের সংহতি, আন্তর্জাতিক একাডেমিক মহলের সমর্থন ও অধ্যাপক সায়েম স্যারের গৃহীত শিক্ষা ও গবেষণামুখী উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে চলমান পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা করা হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

চুয়েটের শিক্ষার্থীদের মশালমিছিল

আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হিশাম, মৌমিতা দত্ত প্রিয়া ও রাতুন হাসান। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, তাদের আন্দোলন সরকারবিরোধী আন্দোলন নয়। তাদের দাবি একটাই এবং অপরিবর্তিত অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েট উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাবো আমরা।

সর্বাত্মক কর্মবিরতি ঘোষণা চুয়েট শিক্ষক সমিতির

চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ ও নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। তবে হল ও জরুরি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম কর্মবিরতির আওতামুক্ত রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় জুম প্ল্যাটফর্মে শিক্ষক সমিতির জরুরি সভায় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্ত নেন। ওই দিন রাত থেকে পূর্ণ কর্মবিরতিতে যান তারা।

একই দাবিতে রবিবার উপাচার্য ভবনের সামনে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মাসরুর আহম্মদ বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা ধারণ করা। এখানে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নেই। একটা অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আমরা মানসিকভাবে চাপে রয়েছি, শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে যাচ্ছে। সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমরা একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছি না। সরকারের কাছে আকুল আবেদন, বর্তমান সরকারের মিশন ও ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের এ চলমান সমস্যার সমাধান করুন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ক্ষতি রক্ষা করুন।’

কর্মবিরতিতে চুয়েট কর্মকর্তা সমিতি

অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছে চুয়েট কর্মকর্তা সমিতি। গত ২৫ সেপ্টেম্বর কর্মকর্তা সমিতির জরুরি সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মো. ইকরাম বলেন, ‘আমাদের চুয়েট একটা পরিবার। ছাত্ররা শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছে। শিক্ষকরাও কর্মবিরতি দিয়েছেন। আমরাও তাই তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়েছি।’

তাদের সবার দাবি, আবু সাদাত সায়েমকে পুনর্বহাল

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রিয়োতোষ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের দাবি একটাই, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক সায়েম স্যারকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করতে হবে। সম্মানিত শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত সায়েম স্যারকে পুনর্বহাল করা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের কর্মবিরতি চালিয়ে যাবো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে না এসেই নতুন উপাচার্যের যোগদান

উপাচার্যের অপসারণের প্রতিবাদে ও সাবেক উপাচার্যের পুনর্বহালের দাবিতে অচলাবস্থার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে না এসেই যোগদান করেছেন চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদানপত্র পাঠিয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন বলে জানান তিনি।

এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে নতুন ভিসিকে প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন কর্মসূচি পালন করেছেন। শনিবার চুয়েট ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

যা বললেন নতুন উপাচার্য 

নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম রবিবার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি বর্তমানে চট্টগ্রামে অবস্থান করছি। গুটি কয়েক শিক্ষার্থী এ আন্দোলনের নামে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারী আমাকে ভিসি হিসেবে চাইছেন। আমার সঙ্গে দফায় দফায় এসে সাক্ষাৎ করছেন। চুয়েটে না গেলেও সার্কিট হাউস থেকে আমি অফিস করছি। শিগগিরই আমি চুয়েট ক্যাম্পাসে যাবো।’

 

/এএম/ 
সম্পর্কিত
গাজীপুরে মহাসড়ক অবরােধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
কেন ‘৫৬’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করেছেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা
চুয়েটে নতুন ভিসিকে ‘লাল কার্ড’ দেখালো শিক্ষার্থীরা
সর্বশেষ খবর
থাইল্যান্ডের বিমানবন্দরে দুই দিন ধরে আটকা বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা 
থাইল্যান্ডের বিমানবন্দরে দুই দিন ধরে আটকা বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা 
‘ভয়াবহ যুদ্ধ’ হলেও অটল থাকবে ইরান: আরাঘচি
‘ভয়াবহ যুদ্ধ’ হলেও অটল থাকবে ইরান: আরাঘচি
সাতসকালে ইজিবাইকের পেছনে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
সাতসকালে ইজিবাইকের পেছনে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
৯ বছর পর জাপানের প্রেক্ষাগৃহে আমির, মুক্তি পাবে কোন ছবি
৯ বছর পর জাপানের প্রেক্ষাগৃহে আমির, মুক্তি পাবে কোন ছবি
সর্বাধিক পঠিত
নতুন ভবনে নিজের নাম দেখেই উদ্বোধন করেননি হাসনাত, বললেন দেশের নাম দিতে
নতুন ভবনে নিজের নাম দেখেই উদ্বোধন করেননি হাসনাত, বললেন দেশের নাম দিতে
৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার
৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার
বাংলাদেশের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন হামজা, কিন্তু...
বাংলাদেশের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন হামজা, কিন্তু...
দেশের সব বিভাগের আইনজীবীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত
দেশের সব বিভাগের আইনজীবীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত
সরকারকে সতর্ক করে আসিফ নজরুল বললেন, ‘এগুলো স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল’
সরকারকে সতর্ক করে আসিফ নজরুল বললেন, ‘এগুলো স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল’