ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট করার সময় আসমা (১৬) নামে এক রোহিঙ্গা কিশোরীসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত আরেকজন হলেন, মাইনুদ্দিন আহমেদ (৫০)। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়িতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে পাসপোর্টের ফরম জমা দিতে গেলে তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজিজুল হক জানান, এ ঘটনায় শুক্রবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতারক মাইনুদ্দিনের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সৈয়দপাড়া এলাকায়।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার জালকুড়ি আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে পাসপোর্ট করতে মাইনুদ্দিন বাবা সেজে আসমাকে নিয়ে ফরম জমা দিতে যায়। ফরম জমা নেওয়ার সময় আসমার নাম পরিচয় জিজ্ঞাসা করা হলে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকে। তখন সঙ্গে থাকা মাইনুদ্দিনও একেক সময় আসমার একেক ধরনের পরিচয় দিতে থাকেন। পরে সে স্বীকার করে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আসমাকে নিয়ে এসে টাকার বিনিময়ে বাবা সেজে পাসপোর্ট করতে এসেছিল।
তিনি আরও জানান, আসমা তার নাম পরিচয় কিছুই ঠিকভাবে বলতে পারেনি। সে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছিল। কিন্তু কোনও ক্যাম্পে সেটাও জানাতে পারেনি। আসমাকে বিদেশ পাঠাবেন বলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে প্রথমে কুমিল্লা পরে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসেন। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের অফিস সহকারী শাহজালাল বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মাঈনুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সাত্তার জানান, এই ঘটনায় মানবপাচারের অভিযোগ এনে প্রতারক মাইনুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর রোহিঙ্গা কিশোরীকে আদালতের মাধ্যমে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।







