নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আলো আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জনি মিয়াকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গোদনাইলের চৌধুরীবাড়ির শান্তি নগর এলাকায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২৪ আগস্ট) ভোরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে। পরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সাত্তার মিয়া বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরে আলোকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আলোর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের মামা আদর মিয়া বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।’
নিহত আলো মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানার শেলামতি এলাকার মৃত রফিক মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় নিহতের মামা আদর মিয়া বাদী হয়ে শুক্রবার বিকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি ঘুড়ি উড়ানোর নাটাই ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই নাটাই দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও লাশের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত গৃহবধূ আলো গোদনাইলের আর কে গ্রুপের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতো। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী জনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জনিও একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। জনি মিয়া গোদনাইল শান্তিনগর এলাকার বাবুলের ছেলে।
গৃহবধূর মামা আদর মিয়া জানান, আলোর মা-বাবার মৃত্যুর পর একমাত্র ভাগ্নিকে তারাই লালন-পালন করেছেন। পাঁচ বছর আগে গোদনাইল শান্তিনগর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে জনির সঙ্গে তার ভাগ্নিকে বিয়ে দেন। আলোকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ হত্যার সুষ্ঠু বিচার চান।







