টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে জোড় ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও একজন নিহতের ঘটনায় রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টঙ্গী পশ্চিম থানায় কোনও মামলা হয়নি। এ ঘটনায় ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ইজতেমা ময়দান থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার মুসল্লি ইসমাইল মণ্ডলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবার যদি মামলা করতে চায় তা হলে অবশ্যই মামলা নেওয়া হবে।’
তাবলীগ জামাতের মওলানা সা’দ ও মাওলানা জুবায়ের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর শনিবার উভয় পক্ষকে ময়দান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ইজতেমা ময়দানের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ময়দানের প্রতিটি গেটে পুলিশ অবস্থান করছে।
ইজতেমা মাঠের কামারপাড়া-টঙ্গী সড়কের ফার্মেসি ব্যবসায়ী নাজমুল আলম সুমন বলেন,‘শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইজতেমা মাঠ থেকে মুসল্লিরা বের হতে থাকেন। এরপর থেকে ইজতেমা মাঠে শুধু পুলিশ ছাড়া সাধারণ কোনও লোক প্রবেশ করতে পারছে না।
রবিবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান ময়দান পরিদর্শনে আসেন। তিনি ময়দানের মালামাল ইনভেন্টরি তৈরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মুসল্লিদের সামিয়ানা সঠিক ব্যক্তির কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জিএমপি আবু হানিফকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরে আগে তাবলীগের কোনও পক্ষই ইজতেমা মাঠে কোনও রকম কার্যক্রম চালাতে পারবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সময় ইজতেমা মাঠ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনে থাকবে।’
প্রসঙ্গত, শনিবার জোড় ইজতেমাকে কেন্দ্র করে তাবলীগ জামায়াতের মাওলানা সা’দ ও মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় এক মুসল্লি মারা যান ও দুই শতাধিক মুসল্লি আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।







