ফল চাষে লাভবান হচ্ছেন গোপালগঞ্জের চাষিরা

মোজাম্মেল হোসেন মুন্না, গোপালগঞ্জ
০৩ অক্টোবর ২০২০, ১৯:২৭আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৩০

বাগানে নানা জাতের ফল অসময়ে গাছে পেকে রয়েছে বড় বড় আম,গাছ ভর্তি থাই নারকেল গাছে ডাব, দেশি-বিদেশি ফলের সমাহার, তার সঙ্গে রয়েছে ঔষধি গাছ ও ফুলের বাহার। যেখানে আসলে মন ভরে যায়। বলছিলাম গোপালগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের কথা। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে কাশিয়ানীর রাতইলে এই প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছরেই কৃষির উন্নয়নে এলাকার মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

দেশি-বিদেশি আম,জাম, লিচু, নারকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছে ঠাসা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অবস্থিত হর্টিকালচার সেন্টার। এখানে গেলে পাওয়া যাবে অন্তত অর্ধ শতাধিক প্রজাতির বিভিন্ন ফলের কলমের ও বীজ থেকে তৈরি ফলের চারা। বিশেষ করে অনেক দাম দিয়ে যেসব বিদেশি ফল বাজার থেকে কিনে খেতে হয় তার অধিকাংশই পাওয়া যায় এই সেন্টারটিতে। স্বল্প দামে বিক্রি হচ্ছে এসব গাছের চারা। 

কাজু বাদাম, মিশরীয় ডুমুর, রাম্বুটান, অ্যাভোকেডো, থাই নারকেল, কমলা, মাল্টা, কফি, বারোমাসি আমসহ অসংখ্য প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফলের চারায় ভরা পুরো এই সেন্টারটি এলাকার শুধু কৃষকই না, সৌখিন ফল চাষিদের বাগান তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। স্বল্প দামে কলম চারা ও বীজ থেকে তৈরি চারা নিয়ে অনেকেই এখন সাবলম্বী। বিশেষ করে এ জেলায় মাল্টা চাষ করে অসংখ্য কৃষক লাভের মুখ দেখছে।

কাশিয়ানীর জামাল মোল্লা, মুকসুদপুরের জিয়াউদ্দিন জানান, এই সেন্টারে স্বল্প দামে বিভিন্ন ফলের চারা বিক্রি করা হয়ে থাকে। এখান থেকে বিভিন্ন ফলের চারা নিয়ে বাগান তৈরি করে আমরা ভালো আছি। আমাদের দেখে অনেকেই এই সেন্টার থেকে চারা নিয়ে বাগান তৈরিতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এই হল্টিকালচার সেন্টারে পাঁচ শতাধিক প্রজাতির ফলমূলের চারা আমরা বিক্রি করে থাকি। বিশেষ করে থাইল্যান্ড থেকে আনা আম, নারকেল গাছ’সহ দেশি-বিদেশি ফলের চারা এখানে পাওয়া যায়। তিনি জেলাবাসীকে এখান থেকে চারা নিয়ে ফল বাগান তৈরি করে নিজেদের ভাগ্য বদলের আহ্বান জানান।

বিভিন্ন প্রকারের ফলের চাষ করে এলাকার ফলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবে এলাকার চাষিরা লাভবান হবেন এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

/আরআইজে/
সম্পর্কিত
গোপালগঞ্জে সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ২০
গোপালগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণ, একজন কারাগারে 
গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়িতে আহাজারি, শোকে স্তব্ধ দুই গ্রাম
সর্বশেষ খবর
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের