ধর্ষণে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা, ২ লাখ টাকায় মীমাংসা!

সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা
০৩ মে ২০২১, ১১:৫৪আপডেট : ০৩ মে ২০২১, ১১:৫৪

ফরিদপুরের সালথায় বিয়ের কথা বলে ২০ বছরের এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই তরুণী এখন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তবে অভিযুক্ত মো. ফেলা মাতুব্বর (৩০) ঘটনাটি মাত্র ২ লাখ টাকায় ঘটনার মীমাংসা করেছেন। টাকা পেয়ে স্থানীয় কতিপয় মাতব্বর ও সমাজপতি তরুণীর গর্ভে থাকা সন্তানকে নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত দেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করে তার গর্ভের সন্তানকে বাঁচানোর জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযুক্ত ফেলা মাতুব্বর সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের নারানদিয়া গ্রামের বাকা মাতুব্বরের ছেলে। ফেলা বিবাহিত।

তরুণীর খালাতো বোন বলেন, আমার খালাতো বোন মাঝে মধ্যেই আমার বাড়িতে এসে থাকতো। একপর্যায় বছর খানেক আগে ফেলার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের কথা বলে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে ফেলা। এখন সে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

তিনি আরও বলেন, ঘটনা জানাজানি হলে আমার বোনকে বিয়ে করার জন্য ফেলাকে চাপ দেওয়া হয়। তবে সে রাজি হয়নি। বরং আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল ইসলাম, স্থানীয় মাতবর আবুল খায়ের, বকুল ও সায়েম মোল্যাকে ম্যানেজ করে ধর্ষিতার পরিবারকে মীমাংসার জন্য চাপ দেয়। পরে ১৫ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে কোনও একদিন রাতে ওই প্রভাবশালীরা দুই লাখ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি গোপনে মীমাংসা করে দেন।

এ অবস্থায় ধর্ষিত তরুণী গর্ভের সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আর ধর্ষক ফেলা মাতুব্বর বিদেশে চলে গেছেন বলে দাবি করেছেন তরুণীর পরিবার।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশিকুজ্জামান বলেন, নারানদিয়া গ্রামের এই রকম কোনও ঘটনা আমার জানা নেই। খোঁজ নিচ্ছি।

ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মো. সমিনুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দ্রত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

/টিটি/
সম্পর্কিত
শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় কেঁদেছিলেন র‌্যাব কর্মকর্তাও, সেই আসামির মৃত্যুদণ্ড
প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী, শিক্ষিকার বাবাকে গাছে বেঁধে রাখলো এলাকাবাসী 
স্বামী কারাগারে বন্দি, বাড়িতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রী
সর্বশেষ খবর
চাঁবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. লোকমান হোসেন
চাঁবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. লোকমান হোসেন
সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী
সিজেপির পদযাত্রায় সহিংসতার শুনানিতে রাজি দিল্লি হাইকোর্ট
সিজেপির পদযাত্রায় সহিংসতার শুনানিতে রাজি দিল্লি হাইকোর্ট
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির
সর্বাধিক পঠিত
ভুলে চার মাস কারাভোগ, ৩০ লাখ টাকা পেলেন ভুক্তভোগী
ভুলে চার মাস কারাভোগ, ৩০ লাখ টাকা পেলেন ভুক্তভোগী
হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই শিক্ষিকার চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা পরিবার
হত্যাকাণ্ডের শিকার সেই শিক্ষিকার চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা পরিবার
দিল্লিতে আন্দোলন চলা যন্তর মন্তর আসলে কী
দিল্লিতে আন্দোলন চলা যন্তর মন্তর আসলে কী
আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক
আদালতে বিচার চলাকালে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক
জামায়াতের আরেক নেতার পদ স্থগিত
জামায়াতের আরেক নেতার পদ স্থগিত