শরীয়তপুরে অপহরণের ১২ ঘণ্টা পর পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১ আগস্ট) ভোরে জেলা সদরের ডোমসার এলকার একটি ইটভাটার পাশের ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম নিবিড় খা। সে জেলা শহরের ডোমসার এলাকার মনির খানের ছেলে ও শিশুকানন কিন্ডার গার্টেনের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত চার জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে নিবিড়ের মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে সোমবার বিকালে অপহরণের ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- পাবনা জেলার সিংগা বাজারের ছব্বুর মিয়ার ছেলে সিয়াম (২০), শরীয়তপুরের খিলগাঁওয়ের জলিল গাজীর ছেলে শাকিল গাজী (১৮), আমির হোসেন গাজীর ছেলে তুহিন গাজী (১৫) ও শাওন (১৭)। এর মধ্যে সিয়াম হলো অপহরণের শিকার নিবিড়দের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, সোমবার বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে খেলার উদ্দেশে ৩টার দিকে বের হয় নিবিড়। এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিবিড়ের মায়ের কাছে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। রাতেই বিষয়টি পুলিশকে জানায় পরিবার। কল করা মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে সিয়াম নামের এক নসিমন চালককে আটক করে পুলিশ।
পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কীর্তিনাশা নদীর পাড়ের খান ব্রিক ফিল্ডের পাশের একটি ডোবা মাটি চাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম বলেন, এই ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে আমরা লাশ ও আসামি গ্রেফতার করেছি। মামলাটি তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের ও গ্রেফতার করা হবে। কিশোররা বিভিন্ন সিরিয়াল ও ক্রাইম পেট্রল দেখে এমন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।









