সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ওলাইওয়া নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সোহেল মিয়া(২৪)। শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার গ্রামের বাড়ি চকদিগায়। রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাংগা ইউনিয়নের চকদিগা গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নানের ছেলে সোহলে কৃষক পরিবারের দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান।
সোহেলের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান স্বজনরা। জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে সংসারের অভাব ঘোচাতে দরিদ্র কৃষক আব্দুল মান্নান তার শেষ সম্বল কৃষি জমি বিক্রি করে সোহেলকে সৌদি আরব পাঠিয়েছিলেন। সেখানে একটি মার্কেটে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসাবে কাজ করতেন এস এস সি পরীক্ষায় অংশ না নিয়েই সৌদি আরবে পাড়ি জমানো সোহেল।
সোহেলের বোন শিরিনা বেগম জানান, ৫ মার্চ শনিবার দুপুরে হাবিবুর রহমান নামে তাঁদের এক আত্মীয় মোবাইল ফোনে সোহেলের মুত্যুর খবর জানান। সকালে সহকর্মীদের সাথে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বাংলাদেশ সময় ১০টার দিকে রিয়াদের ওলাইওয়া নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই সোহেল নিহত হন। তাঁর মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।
নিহত সোহেলের মা মনোয়ারা বেগম ও বাবা আব্দুল মান্নান তাঁদের ছেলের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। সোহেলের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন।
/এইচকে/







