রথের মেলার চার শতকের ইতিহাস, ঐতিহ্যের মহোৎসব

আরিফুল ইসলাম সাব্বির, সাভার
১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:১৩আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:১৩

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে প্রতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। ভারতের পুরিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আষাঢ়ের পুষ্যা নক্ষত্র এবং শুক্ল দ্বিতীয়া তিথিতে আয়োজিত হয় রথযাত্রা উৎসব। সব জায়গায় একই নামে হলেও এটি ভিন্ন নামে আয়োজন করা হয় ধামরাইয়ে। এই ভিন্ন নামের উৎপত্তির সঙ্গে জড়িয়ে আছে লোকশ্রুত গল্প। আছে প্রায় চার শতকের ইতিহাস। রথের সঙ্গে একই সুতোয় গাঁথা রয়েছে গাজীপুর অঞ্চলের রাজা যশোপালের (পরবর্তীতে যশোমাধব) গল্প, যশোমাধবের বিগ্রহ আর মাসব্যাপী মেলা। এটি ইতিহাস-ঐতিহ্যের উৎসব হিসেবে পালিত হয়।

ঢাকার অদূরে অন্যতম প্রাচীন জনপদ ধামরাই। কয়েক হাজার বছরের ইতিহাস এই অঞ্চলের। সম্রাট অশোকের ধর্মরাজিকা, শাহজালালের সঙ্গে আসা ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যের পাঁচ জনের আগমনসহ এই অঞ্চলের সুদীর্ঘ ইতিহাস পাওয়া যায়। সেই ইতিহাসেরই অন্যতম চরিত্র অষ্টম শতকের দিকে বর্তমান গাজীপুরের মধুপুর অঞ্চলের শাসক রাজা যশোপাল। যার সূত্রে আজকের রথযাত্রা ও রথের মেলা। 

বাংলা ট্রিবিউনের পাঠকদের জন্য সেই গল্প তুলে আনতেই সম্প্রতি সরেজমিনে ধামরাইয়ে যান এই প্রতিবেদক। রথযাত্রার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপচারিতা, লিপিবদ্ধ ইতিহাসসহ স্থানীয়দের গল্পে উঠে আসে রথ, যশোমাধব বিগ্রহ (মূর্তি) ও রথের মেলার কথা।

রাজার স্বপ্নে মিললো ‘যশোমাধব’, ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ হয়ে মাধববাড়িতে ঠাঁই

গাজীপুর, ধামরাইসহ এই অঞ্চলের শাসক রাজা যশোপাল ছিলেন অত্যন্ত ধর্মভীরু ও প্রজাবৎসল শাসক। তাকে ঘিরে এখনও প্রচলিত নানা উপকথা। এর মধ্যেই একটি যশোমাধবের বিগ্রহ পাওয়ার ঘটনা। সেই কথা জানালেন ধামরাইয়ের কায়েত পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও রথযাত্রা আয়োজন কমিটির সহসভাপতি প্রাক্তন শিক্ষক নন্দগোপাল সেন।

ইতিহাসের সূত্র ও উপকথা উল্লেখ করে এই প্রবীণ জানান, রাজা যশোপাল তার সঙ্গীসহ ধামরাইয়ের শিমুলিয়া এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। বহরে ছিল বিশাল হাতিও। শিমুলিয়া এলাকায় পৌঁছানোর পর একটি ঢিবির সামনে গিয়ে সেই হাতি আর এগোয় না। মাহুতের বহু চেষ্টার পরও থমকে থাকে। রাজা তখন সঙ্গের লোকজনকে নির্দেশ দেন ঢিবি খনন করতে। খনন চলতে থাকে। এরপর বেশ গভীরে পাওয়া যায় এক মন্দির।

ধামরাইয়ের রথ

নন্দগোপাল সেনের ভাষামতে, ‘রাজার হাতি ঢিবির সামনে গিয়ে চলা বন্ধ করলে রাজার সন্দেহ হয়। রাজা সন্দেহবশত তার সঙ্গের লোকজনকে নির্দেশ দেন, এই জায়গাটা খনন করো। কেন আমার হাতি সেই জায়গাটা পার হচ্ছে না? সে অনুযায়ী, রাজার লোকজন জায়গাটা খনন করলো। খনন করার পর একটা মন্দির পাওয়া গেলো। মন্দিরের পরিবেশটা ছিল সদ্য পূজিত। মানে এখনই পূজাটা হয়েছে এরকম একটা পরিবেশ। সেখানে আগরবাতির গন্ধ, প্রদীপের শিখা, টাটকা ফুল, টাটকা বেলপাতা, অর্থাৎ পূজার উপকরণ সেগুলো। এ নিয়ে চিন্তা করতে করতে একটা সময় রাজা তন্দ্রাচ্ছন্ন হন। তার ঘুমভাব আসে। সেই ঘুমেই রাজা স্বপ্নে মাধব দেবকে দেখতে পান। দেবতা তাকে বলেন, “আমাকে এখান থেকে উদ্ধার করলি, এখন এখানে কীভাবে রেখে দিবি? আমারে নিয়ে যা।” তখন রাজা বলেন, “হে প্রভু আমি তো নিঃসন্তান। আমার কোনও সন্তান নেই। আমার অনুপস্থিতিতে তোমার পূজা-পার্বন কে করবে?” রাজা হাতজোড় করে মানত করার পরও দেবতা বলেন, “না তুই আমাকে এখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যা। নিয়ে আমাকে প্রতিষ্ঠিত কর, যাতে পৃথিবীতে তোর নামটা চিরজীবন থাকে, এজন্য আমার নামের আগে তোর যশো নামটা যুক্ত কর।” সেখান থেকেই যশো ও মাধব মিলে নাম হলো যশোমাধব। ওই সময় মাধব দেবতা নির্দেশ দেন, জৌলুসভাবে খুব খরচ করে পূজা না দিলেও হবে। ৮ সম্ভারের ডাল, কামরাঙ্গার টক, এসব দিয়ে ভোগ দিলেই হবে।’

মাটির ঢিবির নিচে ‘যশোমাধবের’ বিগ্রহ মেলার পর সেই বিগ্রহ স্থাপন করা হয় তৎকালীন ধামরাইয়ের ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ (বর্তমান ইসলামপুর) এলাকায়। সেখানেই দীর্ঘ সময় পূজা হতো।

হিন্দু শাসকদের পরে এই অঞ্চলে আগমন হয় মুসলিম শাসকের। ঠিক সময়কাল জানা না গেলেও সময়টা ছিল মুঘল শাসনের মধ্যেই। সেই সময় ধামরাইয়ের বর্তমান কায়েতপাড়া এলাকার জগজীবন রায় ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ এলাকা থেকে ‘যশোমাধবের’ বিগ্রহটি পান যৌতুক হিসেবে। তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন তার বাড়ির কাছে। সেখানেই তার পূজা হতো।

নন্দগোপাল সেন বলেন, ‘মুসলিম শাসনামলে ধামরাইয়ের বর্তমান যে পৌরসভা এলাকা, সেখানেই রাম জীবন রায় নামে এক ব্যক্তি ছিলেন, তিনি এই যশোমাধবের মূর্তিটি যৌতুক হিসেবে পান ঠাকুরবাড়ি পঞ্চাশ এলাকা থেকে। সেখান থেকেই এই মাধব মূর্তির আবাস হয় ধামরাই পৌরসভার মাধববাড়ি এলাকায়।’

যশোমাধবের বিগ্রহের প্রতি তৎকালীন শাসকদের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুঘল শাসনামলে সম্রাট আওরঙ্গজেবের পক্ষে এই বিগ্রহের অনুকূলে একটি তৌজি দান করা হয়। অর্থাৎ এ অঞ্চলের যে ম্যাপ, সেটির ওপর হাত রেখে যতটা এলাকার ওপর সেই হাত পড়েছে, সবগুলো এলাকা মাধবের বিগ্রহের নামে দিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় এই তৌজির মধ্যে হাটবাজার, গুদারাঘাটসহ যত রাজস্ব আয় হতো, সব মাধবের নামে দেওয়া হতো। পরে ব্রিটিশ সরকার এর বিরুদ্ধে মামলা করে। তখন রাম জীবনের উত্তরসূরীরা সেই মামলা মোকাবিলা করেন। রায় হয়, বছরে ২৬ দিন এই অঞ্চলের সব রাজস্ব আয় মাধবের নামে যাবে। তখন বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ২৬ দিন ধামরাই পৌর অঞ্চলের সব রাজস্ব আয় মাধবের নামে আসতো। বর্তমানে, মাধবের পূজা যখন হয়, তখন এই মেলার পুরো যে এলাকা, সেখানকার সব রাজস্ব আয় মাধবের নামে গ্রহণ করা হয়। ২৬ দিনের মধ্যে রথযাত্রার সময় ২০ দিন, উত্থান একাদশী মেলা ও মাঘিপূর্ণিমার সময় তিন দিন করে ছয় দিন মাধবের নামে সব রাজস্ব তোলা হয়। এই নিলাম মাধবমন্দিরের পক্ষে দেওয়া হয়। আয়ের পুরোটাই মাধবমন্দিরে যায়।’

‘যশোমাধবের’ ধারাবাহিকতায় রথযাত্রা

২০১০ সালে যশোমাধব রথযাত্রা উপলক্ষে ‘সারথি’ নামে একটি বিশেষ সংকলন প্রকাশ করা হয়। ওই বইয়ের সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়, যশোমাধবের রথযাত্রা ভারতের পুরির জগন্নাথ দেবের রথযাত্রারই অনুরূপ।

রথযাত্রা

জনশ্রুতি রয়েছে, জগন্নাথ দেবের মূর্তি তৈরির পর যে কাঠ অবশিষ্ট ছিল, তা দিয়ে ধামরাইয়ে জগন্নাথ দেবের মূর্তি তৈরি করা হয়। ফলে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একই দিনে অর্থাৎ আষাঢ়ের পুষ্যা নক্ষত্র এবং শুক্ল দ্বিতীয়া তিথিতে ধামরাই যশোমাধব রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই লেখা অনুযায়ী, ১০৭৯ সালে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার পর ১২০৪ সন পর্যন্ত ১২৫ বছর রথযাত্রা চলেছে। এরপর বালিয়াটি জমিদার বাড়ির তত্ত্বাবধানে চলেছে ১৪৬ বছর। ১৩৫০ সনে জমিদারি প্রথা বিলুপ্তের পর মির্জাপুরের দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা এটি পরিচালনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শহীদ হন। ওই সময় রথটি পুড়িয়ে দেয় পাকিস্তান বাহিনী। ১৯৭৬ সালে ২৭ ফুট দৈর্ঘ্যের নতুন রথ বানানো হয়। সবশেষ ২০১৩ সালে আবারও নতুন রথ নির্মাণ করা হয়।

রথ নির্মাণের ইতিহাস তুলে ধরে নন্দগোপাল সেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাংলা ১০৭৯ সালে ধামরাই বাজারে বর্তমান যে সড়ক, এটি নদীর পাড় ছিল। সেখানে কাশবন গজাতো। বালিয়াটি জমিদারদের অনেক স্থাপনা ধামরাইয়ে ছিল। তাদের কিছু দান করা জমি মন্দিরে রয়েছে। সেই সময় থেকে তারা বাঁশের রথ দিয়ে বাংলা ১০৭৯ সালে রথের পত্তন করেন। প্রথম বাঁশ দিয়ে বানানো রথে রথটান হতো। কালক্রমে এই বালিয়াটির জমিদাররা একটা সুবিশাল কারুকার্যমণ্ডিত, এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ তৈরি করেন।’

তিনি বলেন, ‘চারশ বছরের বেশি সময় ধরে এটি বিভিন্ন সময় হাতবদল হয়েছে। শুরুতে নির্মাণ করেন বালিয়াটি জমিদাররা। দেশভাগের সময় জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে যায়। সেই সময় বালিয়াটি জমিদাররাও দেশ ত্যাগ করেন। তারাই পরবর্তীতে ৭৫ ফুট উঁচু কারুকার্যমণ্ডিত রথ তৈরি করে, পরিচালনাও করতো তারা। দেশভাগের পরে এটা মির্জাপুরের দানবীর রনদা প্রসাদ সাহা রথের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কাঠ, মিস্ত্রি, রথ টানতে ১৬ মণ রশি সবই ব্যয়ভার তিনি বহন করতেন। নিজে সামনে থেকে ঘোড়ায় ওপর দাড়িয়ে রথ পরিচালনা করতেন। তার সঙ্গে বিদেশি অতিথি থাকতো। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি আর্মি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাকে পুত্রসহ তুলে নিয়ে যায়। তিনি এখনও নিখোঁজ। ধারণা করা হয়, হত্যা করা হয়েছে। সেই বছর রথ টান বন্ধ ছিল। রথ পুড়িয়ে দেয় পাকিস্তানি হানাদাররা। সেই কয়লাও লুট করা হয়। এরপর থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পরে ৪-৫ বছর বাঁশ দিয়ে বানানো রথ দিয়ে রথটান হতো। পরে যশোমাধব তত্ত্বাবধায়ক কমিটি করে একটি কাঠের ২০-২২ ফুট রথ তৈরি করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৩ সালে শ্রীমতী বীণা সিক্রি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ধামরাইয়ে আসতেন। তার সঙ্গে রথ কমিটির সুকান্ত বণিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গেই রথ নিয়েও আলাপ হয়। তিনিও রথের উন্নয়নের কথা বলেন এবং তার পরামর্শে ভারতের সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। এভাবেই ২০১১ সালের দিকে নেওয়া উদ্যোগে একটি ফান্ড আসে। ভারতের হাইকমিশনের মাধ্যমে আমাদের প্রতিনিধিরা পুরিতে যান। পরে আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ হয়। ২০১৩ সালে নতুন রথের কার্যক্রম শুরু হয়। বরাবরই আমাদের তিথি নক্ষত্র ধরে রথের আয়োজন করা হয়।’

মন্দিরে আসা স্থানীয় শিক্ষক দেবাশীস রায় বলেন, ‘যশোমাধব দেবতা বা রথটানের একটি বিশেষ দিক রয়েছে। সব দেবতাকেই আমরা পাওয়ার জন্য আরাধনা করি। কিন্তু রথের ব্যতিক্রম হলো দেবতা স্বয়ং রথে চড়ে ভক্তদের ভালো-মন্দ দেখার জন্য স্বর্গ থেকে আসেন। এটা হলো সবচেয়ে বড়। এই কারণেই সব বয়সী মানুষ রথ টান দিতে ব্যাকুল হয়ে যান। আর দেবতাকে তুষ্ট করতে তার প্রতি পান, চিনি, কলা দেওয়া হয়।’

রথের মেলা

ধামরাইয়ের অন্যতম প্রাচীন জনমিলনের আয়োজন রথের মেলা। রথের দিন থেকে শুরু করে প্রায় এক মাস ধরে চলে মেলা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, খাবারসহ নানা জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। আর হাজারো মানুষের ভিড়ে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গণ। যদিও সময়ের পরিক্রমায় মেলার বহু পরিবর্তন ঘটেছে।

ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা

ধামরাইয়ের প্রবীণ বাসিন্দা পঞ্চনন্দ ঘোষ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একসময় রথের মেলাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ভিড় থাকতো। নদীতে থাকতো নৌকার সারি। নদী থেকে ঢুলিভিটা অব্দি দুই-তিন কিলোমিটার ভিড় থাকতো সবসময়। সার্কাস, পুতুলনাচ, ঢাকঢোল, বাঁশের বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে বসতো দোকানিরা। আগে সবাই একেবারে পরিবারসহ ১০ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে এখানে আসতেন।’

স্থানীয় বাসিন্দা নন্দ গোপাল সেন বলেন, রথের একদিন আগে ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু হয়। তিথি অনুযায়ী ধর্মীয় কার্যক্রম চলে। আর রথটান হয় বিকাল ৫টার দিকে। এরপর একসঙ্গে ২০ দিন মেলা চলে। বর্তমানে এক মাসের মতো চলে এই মেলা। বহু মানুষ মেলায় আসে। এটি এখন সব ধর্মের মানুষের উৎসবে পরিণত হয়েছে।’

ধামরাইয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকা নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ধামরাই শাখার সভাপতি নাহিদ মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রথ ও রথের মেলা ঘিরে বিপুল সংখ্যক মানুষের আয়-রোজকার হয়। ব্যবসায়ীদের ভালো বেচাকেনা হয়। বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার একটি অনুষ্ঠান এটি। সবাই সহযোগিতা করে বিধায় সফলভাবে আয়োজন করা যায়। রথ তো একদিনে আর শেষ দিনের কাজ শুধু। কিন্তু মেলাকে কেন্দ্র করে মাসজুড়ে ভিড় থাকে। সব ধর্মের মানুষই অংশ নেয়।’

/এএম/ 
সম্পর্কিত
নিজের দেশে আমি কেন এমন অপমানের শিকার হলাম
তিন দিনে সাভার ট্যানারি শিল্পনগরীতে ঢুকেছে ৫ লাখের বেশি চামড়া
সাভার ট্যানারিতে ঢুকেছে ৫ লাখ কাঁচা চামড়া
সর্বশেষ খবর
বিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলাবিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানালো তদন্ত কমিটি
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানালো তদন্ত কমিটি
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি
হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের