মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, ‘আপনাদের ভোটে সরকার গঠন করে আজ ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুরো বাংলাদেশ যখন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় উদ্ভাসিত ঠিক তখন আমরা দেখছি দেশটা ধবংস করার জন্য গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
রবিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকরা নয়, ফ্যাসিবাদী দল যারা পালিয়েছে, তাদের লোকজন শ্রমিকের বেশ ধরে এই ষড়যন্ত্র করে গার্মেন্টস খাতটাকে ধবংস করার ষড়যন্ত্র করছে। সাবধান হয়ে যান, এই সরকার ভেসে আসা নাই, জনগণের ভোটে এসেছে। যারা ষড়যন্ত্র করতে চান, মনে রাখবেন দেশের মানুষ আপনাদের বিতাড়িত করেছে আবারও বিতাড়িত করবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আর বসে থাকবে না। বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। কোনও ষড়যন্ত্রে কাজ হবে না, আমরা আপনাদের মোকাবিলা কববো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে। এসব কর্মকাণ্ড করে যারা রাষ্ট্রদ্রোহীতায় জড়িত তাদের তালিকা করা হচ্ছে। কেউ ক্ষমা পাবেন না।’
বিরোধী দলের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা সহযোগিতা করুন। অযথা বিরোধিতা করবেন না। আপনারা যদি অযথা বিরোধিতা করেন, অপ্রয়োজনে লং মার্চ করেন, অপ্রয়োজনে বিক্ষোভ করেন। অপ্রয়োজনে এই জনপ্রিয় সরকারকে নিয়ে আজেবাজে কথা বলেন। তাহলে উসকানি পাবে ফ্যাসিবাদীরা। আপনাদেরও তাহলে ভালো হবে না। আসুন জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি, এই দেশটাকে গড়ে তুলি। যদি গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেন। আগামীতেও ভোট পাবেন, আর নইলে মনে রাখবেন আগামী নির্বাচনও হবে কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। আর দিনের ভোট রাতে হবে না, সিল মারার নির্বাচন হবে না, হতে দেওয়া হবে না। বিরোধী দল যদি গঠনমূলক ভূমিকা পালন না করে আগামী নির্বাচনে অনেক কম সিট পাবে।’
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সোহরাব হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু প্রমুখ।