আদালতে জবানবন্দি শেষে চার জেএমবি সদস্য কারাগারে

বাগেরহাট প্রতিনিধি
২৫ অক্টোবর ২০১৬, ২২:১৭আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৬, ২২:১৭

 

বাগেরহাট বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া গ্রাম থেকে গ্রেফতারকৃত চার জেএমবি সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম মো. আসিফ আকরামের আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। পরে তাদেরকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত চার জেএমবি সদস্য হলো- আকাশ মোল্লা ওরফে বাবু (১৯), হাবিবুল্লাহ শেখ (১৮),মিজানুর রহমান হাওলাদার (২৬) ও কবিরুল ফরাজী (২৯) ।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা জবানবন্দিতে জেএমবির সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে বাগেরহাটের কচুয়া থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার বাদী গাজী ইকবাল হোসেন বলেন, তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে যা তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

গ্রেফতারকৃতরা পুরোনো নাকি নব্য জেএমবির নেতৃত্বে পরিচালিত, সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের জেএমবি সদস্য বলে দাবি করে বলেন, এ বিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।


গ্রেফতার হওয়া আকাশ মোল্লা ওরফে বাবু কচুয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। প্রায় দুই বছর আগে নিজ বাড়িতে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরিত হলে তিনি আহত হয়েছিলেন। পারিবারিকভাবে তিনি আহলে হাদিস মতাদর্শী।

হাবিবুল্লাহ শেখ পিরোজপুরের কেয়ামুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আগামী বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

মিজানুর রহমান হাওলাদার পিরোজপুরের দূর্গাপুর আলিয়া মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পাশ করেছেন।

কবিরুল ফরাজী (২৯) পেশায় আইনজীবীর সহকারী (মহুরি)। তিনি চার বছরেরও বেশি সময় ধরে জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অন্যরা এক থেকে দুই বছর ধরে জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে এ সব তথ্য জানিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক গাজী ইকবাল হোসেন।

এদিকে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় জানান, বুধবার সকাল ১১টায় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মনিরুজ্জামান বাগেরহাট এসপি অফিসের কনফারেন্স রুমে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলেচনা করবেন।

/এআর/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের