মোংলা বন্দরে কয়লা নিয়ে বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ সাত জনের মধ্যে দুই জন উদ্ধার হয়েছেন। তবে এখনও পাঁচ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বন্দরের হারবাড়িয়ার-৯ নম্বর বয়া এলাকার পশুর নদীতে সোমবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন বাল্কহেডের (সুকানি) মো. মহিউদ্দিন, (গ্রিজার) নূর আলম ও (স্টাফ) মো. রবিউল ইসলাম।
মোংলা কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের মিডিয়া উইংয়ের অফিসার মো. আবু সুমা বলেন, ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটিতে মোট সাত জন কর্মী ছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে দুই জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনায় বন্দর চ্যানেল নিরাপদ রয়েছে। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। ঘটনার পরপরই সেখানে মার্কিং বয়া স্থাপন করা হয়েছে।
বিদেশি জাহাজ এলিনা বি-এর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট টগি শিপিংয়ের ব্যবস্থাপক খন্দকার রিয়াজ বলেন, বন্দরে অবস্থান করা বিদেশি জাহাজ ‘এলিনা বি’ থেকে ৬০০ টন কয়লা নিয়ে বাল্কহেড ‘ফারদিন-১’ ঢাকায় যাচ্ছিলো। পণ্য খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করার সময় হ্যান্ডিপার্ক নামে অপর একটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ‘ফারদিন-১’ বাল্কহেডটিকে ধাক্কা দিলে সেটি কাত হয়ে পড়ে। এ সময় বাল্কহেডের কর্মীরা ছিটকে নদীতে পড়েন। পরে পানি ঢুকে বাল্কহেডটি নদীতে ডুবে যায়।









