মাত্র ৩৫ দিনে যশোরে আট জনের শরীরে এইচআইভি-এইডস শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে তিন বছরে যশোর জেনারেল হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ১৭ জনের দেহে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। চলতি বছরে শনাক্ত হয়েছে ১০ জন। হঠাৎ মানুষের দেহে এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসকরা।
যশোর জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট মাসে যশোর হাসপাতালের পরীক্ষাকেন্দ্রে চার জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। আর সেপ্টেম্বরের প্রথম চার দিনে আরও চার জনের দেহে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এই নিয়ে ৩৫ দিনে আট জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। হাসপাতালের এইচটিসিতে (এইচআইভি টেস্টিং অ্যান্ড কাউন্সেলিং সেন্টার) ১৬২ জনের রক্ত ও লালা পরীক্ষায় আট জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যার মধ্যে পুরুষ পাঁচ ও নারী তিন জন। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। আক্রান্তরা ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশেই বসবাস করেন।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যশোর জেনারেল হাসপাতালে এইচটিসি চালু হয়। সে বছর শনাক্ত হয় তিন জন। পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে চার ও ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১০ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়।
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, যেভাবে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তা আমাদের জন্যে একটি সতর্কবার্তা। যশোর জেনারেল হাসপাতালে সরকারিভাবে চিকিৎসার জন্যে থেরাপি সেন্টার নেই। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এর সেন্টার আছে।
তিনি জানান, সারা দেশে এইচআইভি-এইডস পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ২৩ টি সেন্টার ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য সাতটি সেন্টার রয়েছে। খুব শিগগিরই আরও পাঁচটি কেন্দ্র চালু হবে। যার মধ্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালেও একটি হবে।









